Dhaka ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

ঢাকায় কিশোর হত্যা, ডিমলায় মাটিচাপা; এআই ভিডিও বানিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

ঢাকায় রাকিব ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরকে হত্যার পর তার মরদেহ কার্টনে করে নীলফামারীর ডিমলায় এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্দুল্লাহ মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে রাকিব জীবিত রয়েছে—এমন এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগও পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ডিমলার ছাতনাই বালাপাড়া এলাকা থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত রাকিব টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হামনগর ইউনিয়নের উদ্যমপুর গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ মামুন ডিমলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া এলাকার আফসার আলীর ছেলে।

আরও পড়ুনঃ  ডিমলার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুজন আটক, মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

রাকিবের ভাই জহুরুল ইসলাম জীবন জানান, রাকিবকে জীবিত ফেরত দেওয়ার কথা বলে পরিবারের কাছে কয়েক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবার চার লাখ টাকা দেয়। কিন্তু এরপরও রাকিবকে ফেরত দেওয়া হয়নি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ঢাকার সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তদন্তের একপর্যায়ে গত ৩ অক্টোবর ঢাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল্লাহ মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৫ অক্টোবর কাফরুল থানায় মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ০৫, তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৬।

আরও পড়ুনঃ  মাদারীপুরের শিবচরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদে রাকিবের মরদেহ ডিমলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ছাতনাই বালাপাড়া এলাকায় মাটিচাপা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। পরে মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশে দুপুর ১টার দিকে ওই স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ঢাকার কাফরুল থানায় করা মামলার আসামিকে ডিমলায় এনে মরদেহ উদ্ধারে ডিমলা থানা পুলিশ সহযোগিতা করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনার আড়াই বছর পর রহস্য উদঘাটন করলেন পিবিআই পলাতক আসামী রাশেদ গ্রেপ্তার

পুলিশের দাবি, হত্যার কারণ, মুক্তিপণের অর্থ লেনদেন, এআই প্রযুক্তিতে ভিডিও তৈরির বিষয়টি এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না এসব বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম এসেছে বলেও জানা গেছে। তবে তাঁদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।

মামলার তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জনপ্রিয় পোস্ট

ঢাকায় কিশোর হত্যা, ডিমলায় মাটিচাপা; এআই ভিডিও বানিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

ঢাকায় কিশোর হত্যা, ডিমলায় মাটিচাপা; এআই ভিডিও বানিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০১:১০:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকায় রাকিব ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরকে হত্যার পর তার মরদেহ কার্টনে করে নীলফামারীর ডিমলায় এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্দুল্লাহ মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে রাকিব জীবিত রয়েছে—এমন এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগও পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ডিমলার ছাতনাই বালাপাড়া এলাকা থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত রাকিব টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হামনগর ইউনিয়নের উদ্যমপুর গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ মামুন ডিমলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া এলাকার আফসার আলীর ছেলে।

আরও পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলের নাগরপুরে কিশোর গ্যাঙ্গের প্রধান আসামি সহ গ্রেপ্তার ৪

রাকিবের ভাই জহুরুল ইসলাম জীবন জানান, রাকিবকে জীবিত ফেরত দেওয়ার কথা বলে পরিবারের কাছে কয়েক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবার চার লাখ টাকা দেয়। কিন্তু এরপরও রাকিবকে ফেরত দেওয়া হয়নি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ঢাকার সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তদন্তের একপর্যায়ে গত ৩ অক্টোবর ঢাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল্লাহ মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৫ অক্টোবর কাফরুল থানায় মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ০৫, তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৬।

আরও পড়ুনঃ  শিবচরে ছেলের সাবলের আঘাতে বাবা আরব আলী গুরুতর আহত,ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদে রাকিবের মরদেহ ডিমলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ছাতনাই বালাপাড়া এলাকায় মাটিচাপা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। পরে মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশে দুপুর ১টার দিকে ওই স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ঢাকার কাফরুল থানায় করা মামলার আসামিকে ডিমলায় এনে মরদেহ উদ্ধারে ডিমলা থানা পুলিশ সহযোগিতা করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনার আড়াই বছর পর রহস্য উদঘাটন করলেন পিবিআই পলাতক আসামী রাশেদ গ্রেপ্তার

পুলিশের দাবি, হত্যার কারণ, মুক্তিপণের অর্থ লেনদেন, এআই প্রযুক্তিতে ভিডিও তৈরির বিষয়টি এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না এসব বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম এসেছে বলেও জানা গেছে। তবে তাঁদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।

মামলার তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।