
পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও কর্মময় জীবনের ওপর রচনা, কবিতা ও গজল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাসব্যাপী এ প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।
মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. এম. এ. মান্নানের আয়োজনে সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাগরপুরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন পেশার নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
রোববার (০৪’অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) বিকেলে আয়োজিত পুরস্কার ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. এম. এ. মান্নান। অনুষ্ঠানে নাগরপুরের সুশীল সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মানবিকতা, ন্যায়নীতি, আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি অনুসরণের মাধ্যমে একটি নৈতিক ও আদর্শ সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
আয়োজক ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণদের তাঁর আদর্শের সঙ্গে পরিচিত করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে জানার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
একজন বিজয়ী শিক্ষার্থী অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে অনেক কিছু জানার সুযোগ পেয়েছি। পুরস্কার ও সনদ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত। ভবিষ্যতে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার ও সনদপ্রাপ্তদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায় এবং আয়োজকরা ভবিষ্যতে এ ধরনের সৃজনশীল ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মোঃ হালিম মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি : 










