
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের ১ নং তেনাপচা আশ্রয় কেন্দ্রের কয়েকটি গাছ বেচাকেনার ঘটনায় জড়িয়ে অপপ্রচারের ঘটনা ঘটেছে। তার প্রতিবাদে দেবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ ইসমাইল হোসেন মোল্লা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আজ শুক্রবার বেলা ১১ টায় আশ্রয় কেন্দ্রের মাঠে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে গাছের ক্রেতা- বিক্রেতাসহ আশ্রয় কেন্দ্রের বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে ইসমাইল মোল্লা বলেন, তার বড় ভাই কৃষক দল নেতা নজরুল মোল্লা আশ্রয় কেন্দ্রের বাসিন্দা তিনজনের কাছ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে কয়েকটি মেহগনি গাছ ক্রয় করেন। কয়েক দফায় তিনি গাছগুলোর নায্য দামও পরিশোধ করেন। গত বুধবার তিনি গাছগুলো কেটে আনতে গেলে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমাকে এবং আমার ভাইকে জড়িয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহ নানা পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালায়। কিন্তু আমি ব্যাক্তিগতভাবে এ বেচা-কেনার সাথে কোনভাবেই জড়িত নই। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ক্রমাগত কুৎসা রটিয়ে যাচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
সম্মেলনে ইসমাইল মোল্লার বড় ভাই নজরুল মোল্লা জানান, ১৮-২০ বছর আগে আমি আশ্রয় কেন্দ্রের তিন ব্যাক্তির কাছ থেকে সে সময়ের বাজারদর অনুযায়ী ৮টি মেহগনি গাছ কিনি। পরবর্তীতে গাছগুলো বড় হওয়ার পর বিক্রেতাদেরকে আমি কয়েক দফায় নায্য মূল্য পরিশোধ করি। কাউকে ঠকিয়ে বা অন্যায়ভাবে একটি গাছও কাটিনি। এ নিয়ে কারো কোন অভিযোগও নেই।
উক্ত সম্মেলনে গাছ বিক্রেতা উপস্থিত হয়ে আছমা বেগম, শহীদ মোল্লা ও খায়রুল খা সাংবাদিকদের বলেন আমরা সকলেই হতদরিদ্র। আশ্রয় কেন্দ্রে তাদের নামে বরাদ্দকৃত জায়গায় থাকা মেহগনি গাছগুলো ১৮/২০ বছর আগে বাজারদর অনুযায়ী নজরুল মোল্লার কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু তখন তিনি গাছগুলো কেটে নেননি। পরবর্তীতে গাছগুলো বড় হলে মেয়ের বিয়ে, অসুস্থতাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে আমরা নজরুল মোল্লার নিকট থেকে গাছের বাড়তি দাম অনুযায়ী আরো টাকা গ্রহন করি। এখন তিনি গাছগুলো কেটে নিচ্ছেন। এখানকার গাছপালা এভাবেই কেঁনাবেচা হয়ে থাকে। কোনদিন কোন সমস্যা হয়নি। কিন্তু আমাদের গাছ বিক্রি নিয়ে ইসমাইল মোল্লা ও নজরুল মোল্লা ‘কে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তারা দুই ভাই বিভিন্ন সময় বিপদে-আপদে আমাদের পাশে দাড়ান। তাদেরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
শেখ আব্দুর রাজ্জাক, রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি : 








