Dhaka 8:33 am, Friday, 23 January 2026

ডিমলায় জমির দখলের বিষয় নিয়ে জল্পনা কল্পনার সৃষ্টি

মোঃ মফিজুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ছাতনাই বালাপাড়া৷জমির দখলের অভিযোগ উঠেছে.
বালাপারা ইউনিয়নে ছাতনাই বালাপারা মৌজার এসএ ৫৪৯নং খতিয়ানসহ অন্যান্য খতিয়ানভুক্ত জমির ওয়ারিশগণের বাটোয়ারা মূলে ভোগদখল এবং বিএস খতিয়ান ফাইনাল গেজেট প্রকাশ করা হয়। সেই মতে হাল সন পর্যন্ত খাজনাদি প্রদান করা হয়। উক্ত খতিয়ানভুক্ত জমির বিষয়ে জানা যায় যে, গত ১২/০১/২০২৫ ইং তারিখের এমআর ৫৯৪/২০২৪ইং এর ০৪ নং স্বারকের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিবেদনের আলোকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। গতকাল ১১/০২/২০২৫ ইং তারিখে জমিতে চাষাবাদে ব্যস্ত লোকজন মোঃ তহিদুল পিতা মৃত সহির উদ্দিন, শহিদুল ইসলাম পিতা মৃত সমছের আলী, শিল্পী বেগম স্বামী মোঃ রস্তম আলী, আফসার আলী পিতা রমজান আলী, খলিলুর পিতা মৃত ফয়মামুদ, আব্দুল জলিল পিতা মোজাম্মেল হক গণের সাথে কথা বলে জানা যায় যে তারা দীর্ঘদিন ধরে নালিশি জমিসহ বেনালিশি জমি বাপদাদার আমল থেকে অদ্যাবধি মুল মালিক ওসমান গনির ওয়ারিশ পুত্র মোখলেছুর রহমানের ওয়ারিশ এবং কন্যা মুন্নুজানের ওয়ারিশ আলী মুনসুর, মাহবুল গনি, মাছুমা রহমান, সামছুন্নাহার, আমিনা আহম্মদ, ছাইদা রহমান গংদের পক্ষে আমরা সকলে সহ আরো অনেকেই বর্তমানে বর্গা চাষাবাদসহ বসবাস করে আসিতেছি। উক্ত জমিতে বর্তমানে ভূট্টা, আলু, মরিচ ক্ষেত আছে এবং ইরি বা বোরো ধান লাগানোর জন্য জমি তৈরি করিতেছি। এছাড়াও উক্ত জমিতে আমাদের সকল আধিয়ারদের বা বর্গাচাষিদের বসত বাড়ি, বিভিন্ন প্রকার ফল, বনের বাগান রয়েছে। উক্ত জমির ফসলাদির প্রাপ্ত অংশ নয় আনা অংশের ওয়ারিশ মুন্নুজানের ওয়ারিশগণের পক্ষে ম্যানেজার রবিউল ইসলাম সংগ্রহ করে নিয়ে মুল মালিককে প্রদান করে আসছেন। উক্ত জমির বিষয়ে কোনো ল্যান্ড সার্ভে, বাটোয়ারা মামলা না করে শুধুমাত্র দখল স্বত্ত্বের মামলা করেছেন বলে শুনেছি উপস্থিত সকলেই জানান। এ বিষয়ে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সুধাংশু রায়ের সঙ্গে কথা বলে জানায় যে বাদী আলী আজম খান গং গত কয়েক দিন ধরে নালিশি জমিতে ভুট্টা আলু, সরিষা চাষ করেছেন কিন্তু বিবাদী ম্যানেজার রবিউল ইসলাম গংদের পক্ষে ঐ সময় কেউ উপস্থিত ছিলেন না। আমরা ওদের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম। তিনি এই প্রতিবেদককে আরো জানান যে বিবাদী ম্যানেজার রবিউল ইসলাম গংদের পক্ষের মুল মালিকগণের ওয়ারিশদের নামে ফাইনাল গেজেট বা চূড়ান্ত বিএস শুদ্ধভাবে লিপিবদ্ধ এবং প্রচারিত আছে। সেই মতে তারা হালসন পর্যন্ত খাজনাদি প্রদান করিয়াছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নাগরপুরে ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত 

ডিমলায় জমির দখলের বিষয় নিয়ে জল্পনা কল্পনার সৃষ্টি

Update Time : 07:40:58 pm, Tuesday, 11 February 2025

মোঃ মফিজুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ছাতনাই বালাপাড়া৷জমির দখলের অভিযোগ উঠেছে.
বালাপারা ইউনিয়নে ছাতনাই বালাপারা মৌজার এসএ ৫৪৯নং খতিয়ানসহ অন্যান্য খতিয়ানভুক্ত জমির ওয়ারিশগণের বাটোয়ারা মূলে ভোগদখল এবং বিএস খতিয়ান ফাইনাল গেজেট প্রকাশ করা হয়। সেই মতে হাল সন পর্যন্ত খাজনাদি প্রদান করা হয়। উক্ত খতিয়ানভুক্ত জমির বিষয়ে জানা যায় যে, গত ১২/০১/২০২৫ ইং তারিখের এমআর ৫৯৪/২০২৪ইং এর ০৪ নং স্বারকের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিবেদনের আলোকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। গতকাল ১১/০২/২০২৫ ইং তারিখে জমিতে চাষাবাদে ব্যস্ত লোকজন মোঃ তহিদুল পিতা মৃত সহির উদ্দিন, শহিদুল ইসলাম পিতা মৃত সমছের আলী, শিল্পী বেগম স্বামী মোঃ রস্তম আলী, আফসার আলী পিতা রমজান আলী, খলিলুর পিতা মৃত ফয়মামুদ, আব্দুল জলিল পিতা মোজাম্মেল হক গণের সাথে কথা বলে জানা যায় যে তারা দীর্ঘদিন ধরে নালিশি জমিসহ বেনালিশি জমি বাপদাদার আমল থেকে অদ্যাবধি মুল মালিক ওসমান গনির ওয়ারিশ পুত্র মোখলেছুর রহমানের ওয়ারিশ এবং কন্যা মুন্নুজানের ওয়ারিশ আলী মুনসুর, মাহবুল গনি, মাছুমা রহমান, সামছুন্নাহার, আমিনা আহম্মদ, ছাইদা রহমান গংদের পক্ষে আমরা সকলে সহ আরো অনেকেই বর্তমানে বর্গা চাষাবাদসহ বসবাস করে আসিতেছি। উক্ত জমিতে বর্তমানে ভূট্টা, আলু, মরিচ ক্ষেত আছে এবং ইরি বা বোরো ধান লাগানোর জন্য জমি তৈরি করিতেছি। এছাড়াও উক্ত জমিতে আমাদের সকল আধিয়ারদের বা বর্গাচাষিদের বসত বাড়ি, বিভিন্ন প্রকার ফল, বনের বাগান রয়েছে। উক্ত জমির ফসলাদির প্রাপ্ত অংশ নয় আনা অংশের ওয়ারিশ মুন্নুজানের ওয়ারিশগণের পক্ষে ম্যানেজার রবিউল ইসলাম সংগ্রহ করে নিয়ে মুল মালিককে প্রদান করে আসছেন। উক্ত জমির বিষয়ে কোনো ল্যান্ড সার্ভে, বাটোয়ারা মামলা না করে শুধুমাত্র দখল স্বত্ত্বের মামলা করেছেন বলে শুনেছি উপস্থিত সকলেই জানান। এ বিষয়ে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সুধাংশু রায়ের সঙ্গে কথা বলে জানায় যে বাদী আলী আজম খান গং গত কয়েক দিন ধরে নালিশি জমিতে ভুট্টা আলু, সরিষা চাষ করেছেন কিন্তু বিবাদী ম্যানেজার রবিউল ইসলাম গংদের পক্ষে ঐ সময় কেউ উপস্থিত ছিলেন না। আমরা ওদের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম। তিনি এই প্রতিবেদককে আরো জানান যে বিবাদী ম্যানেজার রবিউল ইসলাম গংদের পক্ষের মুল মালিকগণের ওয়ারিশদের নামে ফাইনাল গেজেট বা চূড়ান্ত বিএস শুদ্ধভাবে লিপিবদ্ধ এবং প্রচারিত আছে। সেই মতে তারা হালসন পর্যন্ত খাজনাদি প্রদান করিয়াছেন।