Dhaka ০১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

শ্রীমঙ্গলে আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়া কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলা ও পৌর শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ০২ মে, ২০২৬ ঈসায়ী, শনিবার, শ্রীমঙ্গল জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি হযরত মাওলানা হুছাম উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী।
বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, রাসূল সা. এর প্রতি মুহব্বত পোষণ করা ঈমান ও আকিদার বিশুদ্ধতার পরিচায়ক। রাসূল সা. এর প্রতি সাহাবায়ে কেরামের মুহব্বত আমাদের জন্য অনুসরণীয়। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সাহাবায়ে কেরাম নিজেদের জীবনকে কুরবানী করেছেন, কিন্ত আল্লাহর রাসূল সা. এর উসওয়ার ঝাণ্ডাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেন নি। অপরদিকে মুনাফিকদের ইবাদাত কম ছিল না, তাদের আমলে ত্রুটি ছিল না, তারা স্লোগানে পিছিয়ে ছিল না, কিন্তু আল্লাহর রাসূল সা. এর প্রতি তাদের মনমানসিকতা ভালো ছিল না। এজন্য তারা রাসূল সা. এর জীবনে ত্রুটি খোঁজা, তাঁর কথা উচ্চারণের সময় বেয়াদবিমূলক শব্দ উচ্চারণের ধৃষ্টতা প্রদর্শন, আহলে বাইতের উপর কলঙ্ক লেপন করা, সর্বোপরি ইসলামের ইতিহাসকে তারা বিকৃত করার চেষ্টা করেছে এবং আজও এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। কোনও মানুষের ঈমান ও আকিদা বিশুদ্ধ না হলে তার শত বছরের ইবাদাত কোনও কাজে আসবে না। রাসূল সা. এর প্রতি আন্তরিক মুহব্বত পোষণ করা ঈমান ও আকিদা বিশুদ্ধ হওয়ার পূর্ব শর্ত। সেজন্য আমাদের এমন একটি দল তৈরি করতে হবে, যাদের মূল লক্ষ্য হবে রাসূল সা. এর মুহব্বতকে হৃদয়ে ধারণ করে মানুষকে সহীহ ঈমান ও আকিদার শিক্ষা দিবে। আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়া বর্তমান সময়ে সেই দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আউলিয়ায়ে কেরাম যুগে যুগে ইসলামের বৃহত্তর খেদমত আঞ্জাম দেয়ার মাধ্যমে দ্বীনের ঝাণ্ডা বুলন্দ রেখেছেন। সেজন্য আল্লাহ তাআলার মনোনীত জীবনবিধান আমাদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছেছে। এ বিষয়টি যেমন সত্য, তদ্রূপ ইসলামকে কলুষিত করতে মুনাফিকদের চক্রান্তও একদিনের জন্য বন্ধ হয়নি। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সুদকে হালাল করার এবং শিক্ষাঙ্গনে সময়ে সময়ে ছাত্রসমাজের উপর কাল মার্কস, লেলিন, স্টালিনের আদর্শকে চাপিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে। ছাত্রসমাজকে বেনামাজি, বেআমল ও বেয়াদব বানানোর দলবদ্ধ পাঁয়তারা করা হয়েছে। এই অপচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে। ছাত্রজীবন একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। যে ব্যক্তি ছাত্রজীবনে সৎ, পরহেজগার ও আদর্শবান হতে পেরেছে সে আমৃত্যু তার জীবনকে সেভাবে পরিচালনা করতে পেরেছে। এজন্য ছাত্রসমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সুদীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে তালামীযে ইসলামিয়া দুর্বার আন্দোলন করে আসছে। এই আদর্শবাহী সংগঠনের ছায়াতলে এসে লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের জীবন গঠন করেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এই মুবারক সংগঠনের কর্মীরা আল্লাহর দ্বীনের খেদমত আঞ্জাম দিচ্ছেন। এই সমাজকে সুশৃঙ্খল সমাজে রূপান্তর করার জন্য তালামীযে ইসলামিয়ার বিকল্প নেই।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মুফতি মাওলানা মো. শামসুল ইসলাম।

আরও পড়ুনঃ  ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা চাওয়া যৌতুক নয়: হাইকোর্ট

সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন।
তিনি বলেন, তালামীযে ইসলামিয়া একটি আদর্শবাদী কাফেলা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিয়ে এখন পর্যন্ত কখনোই এ সংগঠন আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয় নি। রাসূলে পাক সা. এর উসওয়ায়ে হাসানাকে ধারণ করে এর আলোকে সমাজ গঠনে তালামীযে ইসলামিয়া প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুনঃ  গজারিয়া বাজার লিটিল স্টার কিন্ডার গার্টেনে সরকারি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

শ্রীমঙ্গল উপজেলা আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা মুজিবুর রহমান আল মাদানীর সভাপতিত্বে ও তালামীযে ইসলামিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলা সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন ইমন এর সঞ্চালনায় সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলা আল ইসলাহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফিজ এনামুল হক, তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজার জেলা সহ সভাপতি মো. আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক শাহ সামায়ুন কবীর, মৌলভীবাজার জেলা আল ইসলাহ প্রচার সম্পাদক মাওলানা শফিকুল আলম সুহেল।

আরও পড়ুনঃ  মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিন নদীতে জাল না ফেলার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর, শিবচরে ১৫১ জেলেকে চাল বিতরণ

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের মৌলভীবাজার জেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা এম এ জলিল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল, সহ প্রচার সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক রুমেন চৌধুরী, সহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ, শ্রীমঙ্গল পৌর আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস নিজামী, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আল ইসলাহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কাজী নাছির উদ্দীন, শ্রীমঙ্গল পৌর আল ইসলাহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সামসুদ্দোহা খান, তালামীযে ইসলামিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি শায়েল আহমদ, কুলাউড়া উপজেলা সভাপতি শামসুল ইসলাম, কমলগঞ্জ উপজেলা সভাপতি রাসেল আহমদ, শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ সভাপতি মো. আবু বকর, শ্রীমঙ্গল আলিয়া মাদ্রাসা সভাপতি সাজ্জাদুল আবেদীন গোফরান, কমলগঞ্জ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শামিম আহমদ, শ্রীমঙ্গল পৌর সাধারণ সম্পাদক ইমাদ হাসান, শ্রীমঙ্গল আলিয়া মাদ্রাসা সাধারণ সম্পাদক সামাউন আহমেদ প্রমুখ।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা চাওয়া যৌতুক নয়: হাইকোর্ট

শ্রীমঙ্গলে আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়া কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেটের সময়: ০৫:১৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলা ও পৌর শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ০২ মে, ২০২৬ ঈসায়ী, শনিবার, শ্রীমঙ্গল জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি হযরত মাওলানা হুছাম উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী।
বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, রাসূল সা. এর প্রতি মুহব্বত পোষণ করা ঈমান ও আকিদার বিশুদ্ধতার পরিচায়ক। রাসূল সা. এর প্রতি সাহাবায়ে কেরামের মুহব্বত আমাদের জন্য অনুসরণীয়। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সাহাবায়ে কেরাম নিজেদের জীবনকে কুরবানী করেছেন, কিন্ত আল্লাহর রাসূল সা. এর উসওয়ার ঝাণ্ডাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেন নি। অপরদিকে মুনাফিকদের ইবাদাত কম ছিল না, তাদের আমলে ত্রুটি ছিল না, তারা স্লোগানে পিছিয়ে ছিল না, কিন্তু আল্লাহর রাসূল সা. এর প্রতি তাদের মনমানসিকতা ভালো ছিল না। এজন্য তারা রাসূল সা. এর জীবনে ত্রুটি খোঁজা, তাঁর কথা উচ্চারণের সময় বেয়াদবিমূলক শব্দ উচ্চারণের ধৃষ্টতা প্রদর্শন, আহলে বাইতের উপর কলঙ্ক লেপন করা, সর্বোপরি ইসলামের ইতিহাসকে তারা বিকৃত করার চেষ্টা করেছে এবং আজও এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। কোনও মানুষের ঈমান ও আকিদা বিশুদ্ধ না হলে তার শত বছরের ইবাদাত কোনও কাজে আসবে না। রাসূল সা. এর প্রতি আন্তরিক মুহব্বত পোষণ করা ঈমান ও আকিদা বিশুদ্ধ হওয়ার পূর্ব শর্ত। সেজন্য আমাদের এমন একটি দল তৈরি করতে হবে, যাদের মূল লক্ষ্য হবে রাসূল সা. এর মুহব্বতকে হৃদয়ে ধারণ করে মানুষকে সহীহ ঈমান ও আকিদার শিক্ষা দিবে। আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়া বর্তমান সময়ে সেই দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আউলিয়ায়ে কেরাম যুগে যুগে ইসলামের বৃহত্তর খেদমত আঞ্জাম দেয়ার মাধ্যমে দ্বীনের ঝাণ্ডা বুলন্দ রেখেছেন। সেজন্য আল্লাহ তাআলার মনোনীত জীবনবিধান আমাদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছেছে। এ বিষয়টি যেমন সত্য, তদ্রূপ ইসলামকে কলুষিত করতে মুনাফিকদের চক্রান্তও একদিনের জন্য বন্ধ হয়নি। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সুদকে হালাল করার এবং শিক্ষাঙ্গনে সময়ে সময়ে ছাত্রসমাজের উপর কাল মার্কস, লেলিন, স্টালিনের আদর্শকে চাপিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে। ছাত্রসমাজকে বেনামাজি, বেআমল ও বেয়াদব বানানোর দলবদ্ধ পাঁয়তারা করা হয়েছে। এই অপচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে। ছাত্রজীবন একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। যে ব্যক্তি ছাত্রজীবনে সৎ, পরহেজগার ও আদর্শবান হতে পেরেছে সে আমৃত্যু তার জীবনকে সেভাবে পরিচালনা করতে পেরেছে। এজন্য ছাত্রসমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সুদীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে তালামীযে ইসলামিয়া দুর্বার আন্দোলন করে আসছে। এই আদর্শবাহী সংগঠনের ছায়াতলে এসে লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের জীবন গঠন করেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এই মুবারক সংগঠনের কর্মীরা আল্লাহর দ্বীনের খেদমত আঞ্জাম দিচ্ছেন। এই সমাজকে সুশৃঙ্খল সমাজে রূপান্তর করার জন্য তালামীযে ইসলামিয়ার বিকল্প নেই।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মুফতি মাওলানা মো. শামসুল ইসলাম।

আরও পড়ুনঃ  গজারিয়া বাজার লিটিল স্টার কিন্ডার গার্টেনে সরকারি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন।
তিনি বলেন, তালামীযে ইসলামিয়া একটি আদর্শবাদী কাফেলা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিয়ে এখন পর্যন্ত কখনোই এ সংগঠন আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয় নি। রাসূলে পাক সা. এর উসওয়ায়ে হাসানাকে ধারণ করে এর আলোকে সমাজ গঠনে তালামীযে ইসলামিয়া প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুনঃ  ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা চাওয়া যৌতুক নয়: হাইকোর্ট

শ্রীমঙ্গল উপজেলা আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা মুজিবুর রহমান আল মাদানীর সভাপতিত্বে ও তালামীযে ইসলামিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলা সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন ইমন এর সঞ্চালনায় সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলা আল ইসলাহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফিজ এনামুল হক, তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজার জেলা সহ সভাপতি মো. আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক শাহ সামায়ুন কবীর, মৌলভীবাজার জেলা আল ইসলাহ প্রচার সম্পাদক মাওলানা শফিকুল আলম সুহেল।

আরও পড়ুনঃ  মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিন নদীতে জাল না ফেলার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর, শিবচরে ১৫১ জেলেকে চাল বিতরণ

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের মৌলভীবাজার জেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা এম এ জলিল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল, সহ প্রচার সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক রুমেন চৌধুরী, সহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ, শ্রীমঙ্গল পৌর আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস নিজামী, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আল ইসলাহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কাজী নাছির উদ্দীন, শ্রীমঙ্গল পৌর আল ইসলাহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সামসুদ্দোহা খান, তালামীযে ইসলামিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি শায়েল আহমদ, কুলাউড়া উপজেলা সভাপতি শামসুল ইসলাম, কমলগঞ্জ উপজেলা সভাপতি রাসেল আহমদ, শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ সভাপতি মো. আবু বকর, শ্রীমঙ্গল আলিয়া মাদ্রাসা সভাপতি সাজ্জাদুল আবেদীন গোফরান, কমলগঞ্জ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শামিম আহমদ, শ্রীমঙ্গল পৌর সাধারণ সম্পাদক ইমাদ হাসান, শ্রীমঙ্গল আলিয়া মাদ্রাসা সাধারণ সম্পাদক সামাউন আহমেদ প্রমুখ।