Dhaka ০৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সেনবাগের অপরাধীদের ত্রাস ওসি আবদুর রহিম সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র: ব্যক্তিগত বিরোধে ক্লোজড, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা শ্রীমঙ্গলে বিপুল ভারতীয় প্রসাধনীসহ দুই চোরাকারবারি গ্রেপ্তার নব উজ্জীবিত বাংলাদেশ সমাজের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন রাজস্থলীতে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত শিবচরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা, সম্মাননা পেল ২১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টাঙ্গাইলে মরহুম ফরিদ সিকদার সৃতি ফুটবল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ আয়োজিত শিবচরে বিডি ক্লিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নাগরপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে জামায়াত নেতা ডা.  আব্দুল হামিদ নাগরপুরে ১২০’পিচ ইয়াবাসহ ২জন ব‍্যবসায়ী গ্রেফতার ১১’দলের লং মার্চ টাঙ্গাইলে সভাস্থল পরিদর্শন করলেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ

সেনবাগের অপরাধীদের ত্রাস ওসি আবদুর রহিম সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র: ব্যক্তিগত বিরোধে ক্লোজড, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

 

​নোয়াখালীর সেনবাগ থানা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখা এবং মাদকবিরোধী অভিযানের আপসহীন নায়ক, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুর রহিম সরকারকে হঠাৎ জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্তি (ক্লোজ) করার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে গভীর ক্ষোভ ও তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধ দমন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণকারী একজন সৎ ও যোগ্য পুলিশ কর্মকর্তাকে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের ব্যক্তিগত বিরোধ ও ষড়যন্ত্রের বলিকাঁঠামো হতে হলো—এমনটাই মনে করছেন এলাকার সাধারণ ও সচেতন জনগণ।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রীস্টাব্দ তারিখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচারের জেরে তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কাজ করেছে একটি চরম ব্যক্তিগত কোন্দল এবং মাদক কারবারিকে সুবিধা না দেওয়ার ক্ষোভ।

আরও পড়ুনঃ  শিবচরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা, সম্মাননা পেল ২১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, সেনবাগের বাতানিয়া গ্রামের বাসিন্দা এ কে এম গোলাম সরোয়ারের সঙ্গে একই এলাকার চট্টগ্রামের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান খোকনের দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি বাতানিয়া গ্রামের আবদুর রহিম নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে থানা থেকে বেআইনিভাবে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য প্রবল তদ্বির চালান এ কে এম গোলাম সরোয়ার। কিন্তু অন্যায়ের কাছে নতি স্বীকার না করে সেনবাগের তৎকালীন ওসি আবদুর রহিম সরকার আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং আসামিকে আদালতে পাঠান।
​আইনি সুবিধা না পেয়ে ক্ষুব্ধ গোলাম সরোয়ার সুযোগ খুঁজতে থাকেন। গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান খোকনের একটি সামাজিক আমন্ত্রণে দাওয়াত গ্রহণ করেন ওসি আবদুর রহিম সরকার। একজন পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়াকে হাতিয়ার বানিয়ে এ কে এম গোলাম সরোয়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় ওসি ও ব্যবসায়ী খোকনের ছবি বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর তথ্যসহ ছড়িয়ে দেন। খোকনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি রাজনৈতিক পরিচয়ে জড়িয়ে পুলিশের একজন সৎ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চালানো হয়। অথচ অনুসন্ধানে জানা যায়, ব্যবসায়ী শাহজাহান খোকন কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের পদে বা নেতৃত্বে ছিলেন না।

আরও পড়ুনঃ  নাগরপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে জামায়াত নেতা ডা.  আব্দুল হামিদ

উল্লেখ্য, গত ৯ মে ২০২৬ তারিখে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর থেকে আবদুর রহিম সরকার এলাকায় অপরাধীদের তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে দেন। বিশেষ করে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের হৃদকম্পন বাড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেনবাগে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এই যোগ্য ও নির্ভীক কর্মকর্তার এমন অন্যায় সরিয়ে দেওয়ায় পুরো এলাকাবাসী স্তম্ভিত ও মর্মাহত।

আরও পড়ুনঃ  সেনবাগে পুলিশের ৭ চেকপোস্ট, কড়া নজরদারি

​স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের দাবি, অন্যায় তদবিরে কাজ না হওয়ায় এবং ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল না করতে পেরে একজন সৎ পুলিশ অফিসারকে এভাবে শিকার বানানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে, প্রকৃত ঘটনা স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করে সত্য তুলে ধরা জরুরি।
​সেনবাগের সর্বস্তরের মানুষ অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা ওসি আবদুর রহিম সরকারের ওপর থেকে এই অন্যায় সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

জনপ্রিয় পোস্ট

সেনবাগের অপরাধীদের ত্রাস ওসি আবদুর রহিম সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র: ব্যক্তিগত বিরোধে ক্লোজড, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

সেনবাগের অপরাধীদের ত্রাস ওসি আবদুর রহিম সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র: ব্যক্তিগত বিরোধে ক্লোজড, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

আপডেটের সময়: ০৮:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

​নোয়াখালীর সেনবাগ থানা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখা এবং মাদকবিরোধী অভিযানের আপসহীন নায়ক, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুর রহিম সরকারকে হঠাৎ জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্তি (ক্লোজ) করার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে গভীর ক্ষোভ ও তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধ দমন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণকারী একজন সৎ ও যোগ্য পুলিশ কর্মকর্তাকে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের ব্যক্তিগত বিরোধ ও ষড়যন্ত্রের বলিকাঁঠামো হতে হলো—এমনটাই মনে করছেন এলাকার সাধারণ ও সচেতন জনগণ।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রীস্টাব্দ তারিখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচারের জেরে তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কাজ করেছে একটি চরম ব্যক্তিগত কোন্দল এবং মাদক কারবারিকে সুবিধা না দেওয়ার ক্ষোভ।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবল থেকে সিএনজিসহ নিখোঁজের দুই দিন পর তুহিন মিয়ার লাশ নবীগঞ্জ থেকে উদ্ধার

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, সেনবাগের বাতানিয়া গ্রামের বাসিন্দা এ কে এম গোলাম সরোয়ারের সঙ্গে একই এলাকার চট্টগ্রামের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান খোকনের দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি বাতানিয়া গ্রামের আবদুর রহিম নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে থানা থেকে বেআইনিভাবে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য প্রবল তদ্বির চালান এ কে এম গোলাম সরোয়ার। কিন্তু অন্যায়ের কাছে নতি স্বীকার না করে সেনবাগের তৎকালীন ওসি আবদুর রহিম সরকার আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং আসামিকে আদালতে পাঠান।
​আইনি সুবিধা না পেয়ে ক্ষুব্ধ গোলাম সরোয়ার সুযোগ খুঁজতে থাকেন। গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান খোকনের একটি সামাজিক আমন্ত্রণে দাওয়াত গ্রহণ করেন ওসি আবদুর রহিম সরকার। একজন পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়াকে হাতিয়ার বানিয়ে এ কে এম গোলাম সরোয়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় ওসি ও ব্যবসায়ী খোকনের ছবি বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর তথ্যসহ ছড়িয়ে দেন। খোকনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি রাজনৈতিক পরিচয়ে জড়িয়ে পুলিশের একজন সৎ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চালানো হয়। অথচ অনুসন্ধানে জানা যায়, ব্যবসায়ী শাহজাহান খোকন কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের পদে বা নেতৃত্বে ছিলেন না।

আরও পড়ুনঃ  শিবচরে বিডি ক্লিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

উল্লেখ্য, গত ৯ মে ২০২৬ তারিখে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর থেকে আবদুর রহিম সরকার এলাকায় অপরাধীদের তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে দেন। বিশেষ করে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের হৃদকম্পন বাড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেনবাগে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এই যোগ্য ও নির্ভীক কর্মকর্তার এমন অন্যায় সরিয়ে দেওয়ায় পুরো এলাকাবাসী স্তম্ভিত ও মর্মাহত।

আরও পড়ুনঃ  নব উজ্জীবিত বাংলাদেশ সমাজের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন

​স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের দাবি, অন্যায় তদবিরে কাজ না হওয়ায় এবং ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল না করতে পেরে একজন সৎ পুলিশ অফিসারকে এভাবে শিকার বানানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে, প্রকৃত ঘটনা স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করে সত্য তুলে ধরা জরুরি।
​সেনবাগের সর্বস্তরের মানুষ অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা ওসি আবদুর রহিম সরকারের ওপর থেকে এই অন্যায় সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।