
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চান্দুরা টু খিরাতলা, হাটখোলা,সিঙ্গারবিল হয়ে আখাউড়া যাওয়ার একমাত্র মেইন রোড বর্তমানে চরম অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের অবহেলার কারণে ভয়ংকর মরণফাঁদে রূপ নিয়েছে।
খানাখন্দ আর গর্তে ভরা এ সড়কটি এখন গর্ভবতী নারী, শিশু, শিক্ষার্থী ও রোগীদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। প্রতিদিন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন শত শত পথচারী ও যানবাহনের চালকরা।
প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন অসুস্থ রোগী অ্যাম্বুলেন্স সহ বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। এখানে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা মসজিদ ও চিকিৎসা কেন্দ্র।
অথচ ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে পারছে না নিরাপদে।
গর্ভবতী নারী ও জরুরি রোগী পরিবহনে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে অব্যবস্থাপনার ফলে এখন এ সড়কটির নাম শুনলেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে খিরাতলা এবং হাটখোলা এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি জানান, “বহুদিন ধরে রাস্তাটির অবস্থা বেহাল। প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। আমরা চাই দ্রুত এই সড়কটি সংস্কার করে জনদুর্ভোগ লাঘব করা হোক।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,চান্দরা টু আখাউড়ার একমাত্র যাতায়াত রাস্তা কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গা যেমন নোয়াগাঁও, খিরাতলা, হাটখোলা, সিঙ্গারবিল-সরক দীর্ঘদিন যাবত অবহেলিত।
এতে করে প্রতিনিয়ত যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে চলছে, স্কুল গামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ও গর্ভবতী মা ও শিশু সহ রাস্তায় যাতায়াত করতে পারছেন না, আর আরো বলেন, আমরা এই দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচতে এ রাস্তাটি দ্রুত কর্মসংস্থানের দাবি জানান।
অন্যদিকে এলাকাবাসীর দাবি, কথা নয়, তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান। অন্যথায় তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা ।
মোঃ শামীম উসমান গনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: 








