
আমি দেখেছি বিভাগীয় শহরে অট্টালিকার সারি সেই অট্টালিকা ছায়ায় বসে কেঁদেছে অনেক নর নারী। তেমনি এক নারী সুফিয়া জরাজীর্ণ ঘরে যার বসবাস। নেই কোন জমি জায়গা আছে শুধু হাহাকার আর আর্তনাদ। দুদিন তিন দিন পরেপরে যার চুলা জলে একদিন রান্না করলে তিনদিন খেয়ে থাকে অথবা দুই দিন খেয়ে থাকেন। বয়স তার ৭০ ঊর্ধ্বে এই বয়সে না পারে কারো বাড়িতে কাজ করতে না পারে ঠিকমতো চলাফেরা করতে।
বয়সের ভাড়িতে শরীল তার চলে না।অসুস্থ শরীল নেই তার ওষুধের টাকা। বলছি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ভুললি থানার ১৮ নং শুখান পুখরী ইউনিয়নে খোলা বাড়ি বসবাস সুফিয়া বেগম। নামে মাত্র তাঁর একট ঘর এবং কলার পাতার বেড়া বাড়ির চারদিকে। এমতাবস্থায় তিনি সমাজের বৃত্তবানদের কাছে সহযোগিতা কামনা করছেন।এবং সরকারি কিছু সুযোগ সুবিধা হলে বা একটি ভিজিড কাড বা ৬ ধারা চালের কাড টা হলে খুব হতো সে নিজে জানিয়েছেন। এবং বলেছেন বাবা চাউল কয়টা হলে লবণ দিয়েও ভাত খাওয়া যায়।
এস,এম,জামাল উদ্দিনঃ 

















