Dhaka ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লতা গ্রুপের চেয়ারম্যান আইউব আলী ফাহিম রাজবাড়ী গোয়ালন্দে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল হতে অর্থ বিতরণ রাজরাড়ী দৌলতদিয়া – পাটুরিয়া নৌরুটে পদ্মা নদীতে জাহাজ-লঞ্চ সংঘর্ষ- ১০ জন আহত সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কর্তৃক বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল এবং মাদকদ্রব্য আটক রাজবাড়ী গোয়ালন্দে মানবাধিকার সংস্থার উদ্যেগে অসহায় হত দরিদ্রের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ সালথা উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার ঈদের আনন্দে সম্প্রীতির আহ্বান: কালীগঞ্জবাসীকে ওসির শুভেচ্ছা সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কর্তৃক বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের উদ্যোগে খাল পুনঃ খনন কাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

তফসিল ডিসেম্বরে, ভোট ফেব্রুয়ারিতে

সুরমা দর্পণ ডেস্ক::

আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই লক্ষ্যে নিজেদের যাবতীয় কাজ গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামীকাল ৫ আগস্ট বা ৮ আগস্ট জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেই ভাষণে নির্বাচনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা থাকবে। নির্বাচন কমিশনও সেই নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণের সময় ধরে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির ৫ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে কোনো একদিন ভোটগ্রহণ হতে পারে। বিশেষ করে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ইসির লক্ষ্য এবার সর্বাধিক রাজনৈতিক দল ভোটে অংশগ্রহণ করবে। তাই ভোটের পর অন্তত দুই দিন ছুটি থাকবে- এ রকম চিন্তাভাবনা থেকে ভোটের দিন হিসেবে বৃহস্পতিবারকেই উপযুক্ত মনে করে ইসি।

আগামী নির্বাচনের জন্য সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না করায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর ভোটের চাপও বাড়ছে। বিএনপিসহ অধিকাংশ দল ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোটগ্রহণের জন্য দাবি করছে। রাজনীতি সচেতন মানুষও দ্রুত নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণে নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় দেশ ও বহির্বিশে^র বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো। তাই সরকারের ওপর ক্রমেই ভোটের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও সরকারের তরফ থেকে একাধিকবার বলা হয়েছে, ঘোষিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন হবে। প্রধান উপদেষ্টাঘোষিত সময়সীমার বাইরে একদিনও এই সরকার থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

তফসিল ঘোষণার বিষয়ে একটি ধারণা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, সংবিধানে কোনো পরিবর্তন না এলে আগের নিয়মে এবং প্রচলিত পদ্ধতিতেই আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে, তখন নির্বাচনের তারিখসহ মনোনয়নপত্র জমাদানের সময়সীমা ও প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।

সিইসির এই বক্তব্য অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ হলে ১১ বা ১৪ ডিসেম্বর তফসিল হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসির একটি সূত্র। তার আগে অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশনা পেলে নিজেদের একটা কর্ম পরিকল্পনা জাতির সামনে তুলে ধরবে নির্বাচন কমিশন। শিগগিরই সেই কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রস্তুতির বিষয়ে আমাদের রুটিন কাজ চলমান। ভোটগ্রহণ যখনই হোক না কেন, আমাদের প্রস্তুতি আমরা আগেই শেষ করতে চাই। আমরা অপেক্ষায় আছি সরকার থেকে কী নির্দেশনা আসে। সরকার থেকে নির্দেশনা পেলে সেই অনুযায়ী আমাদের কর্মপরিকল্পনা জানানো হবে।

আরও পড়ুনঃ  পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লতা গ্রুপের চেয়ারম্যান আইউব আলী ফাহিম

ভোট আয়োজনে ইসির প্রস্তুতি : সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। সেই খসড়ায় ৩৯টির সীমানায় পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করেছে ইসি। এগুলোর ওপর এখন আপিল আবেদন গ্রহণ চলছে। তা আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এরপর আপিল নিষ্পত্তি করে দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সীমানা প্রকাশ করবে ইসি। নির্বাচনের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে নির্ভুল ভোটার তালিকা। আগামী ১০ আগস্ট হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করবে ইসি। খসড়া ভোটার তালিকায় কারও তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ মিলবে ১২ দিন। নির্বাচনী সামগ্রী কেনাকাটার টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। এই কাজও চলমান। পর্যবেক্ষক নিবন্ধন আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ইসি।

নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান। এরই মধ্যে শতাধিক দলের আবেদনে ত্রুটি ও প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে বেধে দেওয়া সময় গতকাল রবিবার শেষ হয়েছে। এখন চূড়ান্ত যাচাই বাছাই শেষে চলতি মাসেই নতুন দলগুলোর নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হতে পারে। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫ জারি করেছে ইসি। নির্বাচনী আচারণবিধির খসড়াও চূড়ান্ত। নির্বাচন ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান। বাকি শুধু আরপিওসহ আইন ও বিধিমালাগুলো সংশোধন। এ জন্য সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে ইসি। আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবেন- এটা চূড়ান্ত করেছে ইসি। এ ছাড়া নির্বাচন ঘিরে ইসির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের রদবদল শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের উদ্যোগে খাল পুনঃ খনন কাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এবার ভোটের সময় দায়িত্ব পালনের জন্য প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারসহ সবমিলিয়ে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট প্রায় ৯ লাখ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ভোটকেন্দ্র মেরামতসহ প্রস্তুত করা হচ্ছে প্রায় ৪৬ হাজার কেন্দ্র। সাধারণত ভোটগ্রহণের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী : সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে নির্বাচনকালীন সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভুয়া তথ্য প্রতিরোধ এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির ওপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে নির্বাচন কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে নির্বাচন বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম বলেন, নির্বাচন আয়োজনের জন্য এরই মধ্যে ইসির কাজগুলো দৃশ্যমান হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে একটা নির্দেশনা থাকলে ভালো হতো। কিন্তু নির্দেশনা না পেলেও প্রস্তুতি নিতে সমস্যা হওয়ার কথা না। যে সময় রয়েছে এর মধ্যে পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারবে।

নির্বাচন বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক দলের নেতারা মনে করেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। জুলাই অভ্যুত্থানের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে পারবে নির্বাচিত সরকার

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লতা গ্রুপের চেয়ারম্যান আইউব আলী ফাহিম

তফসিল ডিসেম্বরে, ভোট ফেব্রুয়ারিতে

আপডেটের সময়: ০৮:১৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

সুরমা দর্পণ ডেস্ক::

আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই লক্ষ্যে নিজেদের যাবতীয় কাজ গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামীকাল ৫ আগস্ট বা ৮ আগস্ট জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেই ভাষণে নির্বাচনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা থাকবে। নির্বাচন কমিশনও সেই নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণের সময় ধরে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির ৫ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে কোনো একদিন ভোটগ্রহণ হতে পারে। বিশেষ করে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ইসির লক্ষ্য এবার সর্বাধিক রাজনৈতিক দল ভোটে অংশগ্রহণ করবে। তাই ভোটের পর অন্তত দুই দিন ছুটি থাকবে- এ রকম চিন্তাভাবনা থেকে ভোটের দিন হিসেবে বৃহস্পতিবারকেই উপযুক্ত মনে করে ইসি।

আগামী নির্বাচনের জন্য সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না করায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর ভোটের চাপও বাড়ছে। বিএনপিসহ অধিকাংশ দল ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোটগ্রহণের জন্য দাবি করছে। রাজনীতি সচেতন মানুষও দ্রুত নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণে নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় দেশ ও বহির্বিশে^র বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো। তাই সরকারের ওপর ক্রমেই ভোটের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও সরকারের তরফ থেকে একাধিকবার বলা হয়েছে, ঘোষিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন হবে। প্রধান উপদেষ্টাঘোষিত সময়সীমার বাইরে একদিনও এই সরকার থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রাজবাড়ী গোয়ালন্দে মানবাধিকার সংস্থার উদ্যেগে অসহায় হত দরিদ্রের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

তফসিল ঘোষণার বিষয়ে একটি ধারণা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, সংবিধানে কোনো পরিবর্তন না এলে আগের নিয়মে এবং প্রচলিত পদ্ধতিতেই আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে, তখন নির্বাচনের তারিখসহ মনোনয়নপত্র জমাদানের সময়সীমা ও প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।

সিইসির এই বক্তব্য অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ হলে ১১ বা ১৪ ডিসেম্বর তফসিল হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসির একটি সূত্র। তার আগে অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশনা পেলে নিজেদের একটা কর্ম পরিকল্পনা জাতির সামনে তুলে ধরবে নির্বাচন কমিশন। শিগগিরই সেই কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রস্তুতির বিষয়ে আমাদের রুটিন কাজ চলমান। ভোটগ্রহণ যখনই হোক না কেন, আমাদের প্রস্তুতি আমরা আগেই শেষ করতে চাই। আমরা অপেক্ষায় আছি সরকার থেকে কী নির্দেশনা আসে। সরকার থেকে নির্দেশনা পেলে সেই অনুযায়ী আমাদের কর্মপরিকল্পনা জানানো হবে।

আরও পড়ুনঃ  সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কর্তৃক বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল এবং মাদকদ্রব্য আটক

ভোট আয়োজনে ইসির প্রস্তুতি : সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। সেই খসড়ায় ৩৯টির সীমানায় পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করেছে ইসি। এগুলোর ওপর এখন আপিল আবেদন গ্রহণ চলছে। তা আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এরপর আপিল নিষ্পত্তি করে দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সীমানা প্রকাশ করবে ইসি। নির্বাচনের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে নির্ভুল ভোটার তালিকা। আগামী ১০ আগস্ট হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করবে ইসি। খসড়া ভোটার তালিকায় কারও তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ মিলবে ১২ দিন। নির্বাচনী সামগ্রী কেনাকাটার টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। এই কাজও চলমান। পর্যবেক্ষক নিবন্ধন আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ইসি।

নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান। এরই মধ্যে শতাধিক দলের আবেদনে ত্রুটি ও প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে বেধে দেওয়া সময় গতকাল রবিবার শেষ হয়েছে। এখন চূড়ান্ত যাচাই বাছাই শেষে চলতি মাসেই নতুন দলগুলোর নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হতে পারে। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫ জারি করেছে ইসি। নির্বাচনী আচারণবিধির খসড়াও চূড়ান্ত। নির্বাচন ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান। বাকি শুধু আরপিওসহ আইন ও বিধিমালাগুলো সংশোধন। এ জন্য সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে ইসি। আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবেন- এটা চূড়ান্ত করেছে ইসি। এ ছাড়া নির্বাচন ঘিরে ইসির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের রদবদল শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কর্তৃক বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এবার ভোটের সময় দায়িত্ব পালনের জন্য প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারসহ সবমিলিয়ে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট প্রায় ৯ লাখ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ভোটকেন্দ্র মেরামতসহ প্রস্তুত করা হচ্ছে প্রায় ৪৬ হাজার কেন্দ্র। সাধারণত ভোটগ্রহণের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী : সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে নির্বাচনকালীন সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভুয়া তথ্য প্রতিরোধ এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির ওপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে নির্বাচন কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে নির্বাচন বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম বলেন, নির্বাচন আয়োজনের জন্য এরই মধ্যে ইসির কাজগুলো দৃশ্যমান হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে একটা নির্দেশনা থাকলে ভালো হতো। কিন্তু নির্দেশনা না পেলেও প্রস্তুতি নিতে সমস্যা হওয়ার কথা না। যে সময় রয়েছে এর মধ্যে পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারবে।

নির্বাচন বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক দলের নেতারা মনে করেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। জুলাই অভ্যুত্থানের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে পারবে নির্বাচিত সরকার