Dhaka ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের আয়োজনে গোয়ালন্দে বৃক্ষরোপন উদ্বোধন রাজবাড়ীর জেলা নতুন (ডিসি) আফরোজা পারভীনের যোগদান মেলায় জুয়া প্রতিরোধে বাধা: প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ পূবাইলে তুরাগ ফিলিং স্টেশন মালিককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা  শ্রীমঙ্গলে শিশু জুনায়েদ হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেফতার নাগরপুরে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, জরিমানা আদায় এবং কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ রাজবাড়ী বালিকান্দিতে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত গর্ভবতী মা ও শিশুসহ সাধারণ মানুষের জন্য এক আতঙ্কের নাম খিরাতলা সিঙ্গারবিল সড়ক বাহুবলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শ্যামলী বাস খাদে পড়ে আহত ১০ পূবাইলে খোড়াইদ জয়নগর যুব সমাজের উদ্যোগে ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট ইয়ংস্টার সিজন ৪ অনুষ্ঠিত

আয়কর অফিসে নাম ভাঙ্গিয়ে দোকানে দোকানে গিয়ে টাকা আদায়

ইনকাম ট্যাক্স অফিসার পরিচয়ে হাজারো দোকানে গিয়ে প্রতিবছর হাতিয়ে নিচ্ছে শত শত কোটি টাকা।

গতকাল আসাদুজ্জামান তার এক বয়ক্তিগত সহকারী সহ নাগরপুর বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে করের টাকা উত্তোলনের সময় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের কাছে ধরা পড়ে।
বিভিন্ন অপকর্ম ও দুর্নীতির দায়ে বিভাগীয় মামলা কাঁধে নিয়ে আসাদুজ্জামান নামের গাজীপুর আয়কর অফিসের এক কর্মচারী টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে দেয়া কথা বলে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। দোকানী ও আসাদুজ্জামানের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ কৌশলে ব্যবসায়ীদের আয়কর রিটার্নের ফাইল খুলে দেয়ার পর থেকে তিনি দোকানে দোকানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ধরনের আইনি ঝামেলার কথা বলে ইচ্ছেমতো আয়কর দাখিল করিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার করদাতাদের কাছে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে সরকার প্রকৃত আয়কর থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিবছর। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আসাদুজ্জামানের প্রতারণার কৌশলের শিকার হয়ে অযাচিত আয়কর দিতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিবছর। আসাদুজ্জামানের এর সাথে থাকা আয়কর রিটার্নের কাগজ ঘেটে দেখা যায় নাগরপুর বাজারের কোটিপতি এক ব্যবসায়ীর আয়কর এসেছে শূন্য (০) টাকা। সাংবাদিক পরিচয় আসাদুজ্জামানের অফিস প্রধানের নাম নম্বর চাইলে তিনি বেশ কয়েকজন সাংবাদিক নেতাদের ফোনে ধরিয়ে দেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশের হাতে তাকে সোপর্দ করার জন্য থানায় ফোন দিলেও থানা পুলিশ এসে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। এবং অভিযোগকারীকে এ ধরনের অভিযোগ করে পুলিশকে হয়রানি না করতে নিষেধ করেন নাগরপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেন।

আরও পড়ুনঃ  নতুন ভবনে যাত্রা শুরুর অপেক্ষায় পূবাইল থানা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

টাঙ্গাইল আয়কর অফিস সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামানের বিভাগীয় মামলার থাকার বিষয়টি।
নাগরপুর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ১ হাজার আয়কর দাতা থাকলে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলা ও পুরো গাজীপুর জেলা মিলিয়ে হাজারো কর দাতা থাকলে প্রতি করদাতাদের কাছ থেকে কমপক্ষে ৫ হাজার টাকা নিলে সে টাকার অংক গিয়ে দাঁড়ায় এক বৃহৎ সংখ্যায়।
একাধিক বিভাগীয় মামলা কাঁধে নিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গিয়ে এভাবে করদাতাদের হয়রানি করা ও কার ফাঁকি দেয়ার সহায়তাকারী আসাদুজ্জামানের সাথে কথিত সাংবাদিক, পুলিশ সহ কে কে জড়িত বিষয়টি বিস্তর অনুসন্ধানের দাবিদার।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শ্যামলী বাস খাদে পড়ে আহত ১০
Tag :

রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের আয়োজনে গোয়ালন্দে বৃক্ষরোপন উদ্বোধন

আয়কর অফিসে নাম ভাঙ্গিয়ে দোকানে দোকানে গিয়ে টাকা আদায়

আপডেটের সময়: ১২:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

ইনকাম ট্যাক্স অফিসার পরিচয়ে হাজারো দোকানে গিয়ে প্রতিবছর হাতিয়ে নিচ্ছে শত শত কোটি টাকা।

গতকাল আসাদুজ্জামান তার এক বয়ক্তিগত সহকারী সহ নাগরপুর বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে করের টাকা উত্তোলনের সময় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের কাছে ধরা পড়ে।
বিভিন্ন অপকর্ম ও দুর্নীতির দায়ে বিভাগীয় মামলা কাঁধে নিয়ে আসাদুজ্জামান নামের গাজীপুর আয়কর অফিসের এক কর্মচারী টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে দেয়া কথা বলে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। দোকানী ও আসাদুজ্জামানের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ কৌশলে ব্যবসায়ীদের আয়কর রিটার্নের ফাইল খুলে দেয়ার পর থেকে তিনি দোকানে দোকানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ধরনের আইনি ঝামেলার কথা বলে ইচ্ছেমতো আয়কর দাখিল করিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার করদাতাদের কাছে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে সরকার প্রকৃত আয়কর থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিবছর। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আসাদুজ্জামানের প্রতারণার কৌশলের শিকার হয়ে অযাচিত আয়কর দিতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিবছর। আসাদুজ্জামানের এর সাথে থাকা আয়কর রিটার্নের কাগজ ঘেটে দেখা যায় নাগরপুর বাজারের কোটিপতি এক ব্যবসায়ীর আয়কর এসেছে শূন্য (০) টাকা। সাংবাদিক পরিচয় আসাদুজ্জামানের অফিস প্রধানের নাম নম্বর চাইলে তিনি বেশ কয়েকজন সাংবাদিক নেতাদের ফোনে ধরিয়ে দেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশের হাতে তাকে সোপর্দ করার জন্য থানায় ফোন দিলেও থানা পুলিশ এসে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। এবং অভিযোগকারীকে এ ধরনের অভিযোগ করে পুলিশকে হয়রানি না করতে নিষেধ করেন নাগরপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেন।

আরও পড়ুনঃ  নতুন ভবনে যাত্রা শুরুর অপেক্ষায় পূবাইল থানা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

টাঙ্গাইল আয়কর অফিস সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামানের বিভাগীয় মামলার থাকার বিষয়টি।
নাগরপুর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ১ হাজার আয়কর দাতা থাকলে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলা ও পুরো গাজীপুর জেলা মিলিয়ে হাজারো কর দাতা থাকলে প্রতি করদাতাদের কাছ থেকে কমপক্ষে ৫ হাজার টাকা নিলে সে টাকার অংক গিয়ে দাঁড়ায় এক বৃহৎ সংখ্যায়।
একাধিক বিভাগীয় মামলা কাঁধে নিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গিয়ে এভাবে করদাতাদের হয়রানি করা ও কার ফাঁকি দেয়ার সহায়তাকারী আসাদুজ্জামানের সাথে কথিত সাংবাদিক, পুলিশ সহ কে কে জড়িত বিষয়টি বিস্তর অনুসন্ধানের দাবিদার।

আরও পড়ুনঃ  রাজবাড়ী বালিকান্দিতে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত