Dhaka ১২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বরগুনায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি নাগরপুরে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি লাভলু টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ১ শিবচরে তীব্র লোডশেডিং এ চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বাহুবলে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের টাঙ্গাইলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ডিমলায় শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজের নতুন একাডেমিক ভবন ও বাইশপুকুর বাঁধের পাকা সড়কের উদ্বোধন শিবচরে কাঁচা সবজিসহ নিত্য পণ্যের চড়া দামে দিশেহারা নিম্ন আয়ের মানুষ সালথায় বল্লভদী ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মনোনয়ন ফরম বিতরণ রক্তের সম্পর্কের এমন নৃশংস পরিণতি কল্পনাও করা যায় না: নিজ মেয়েকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে পিতা গ্রেপ্তার

আয়কর অফিসে নাম ভাঙ্গিয়ে দোকানে দোকানে গিয়ে টাকা আদায়

ইনকাম ট্যাক্স অফিসার পরিচয়ে হাজারো দোকানে গিয়ে প্রতিবছর হাতিয়ে নিচ্ছে শত শত কোটি টাকা।

গতকাল আসাদুজ্জামান তার এক বয়ক্তিগত সহকারী সহ নাগরপুর বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে করের টাকা উত্তোলনের সময় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের কাছে ধরা পড়ে।
বিভিন্ন অপকর্ম ও দুর্নীতির দায়ে বিভাগীয় মামলা কাঁধে নিয়ে আসাদুজ্জামান নামের গাজীপুর আয়কর অফিসের এক কর্মচারী টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে দেয়া কথা বলে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। দোকানী ও আসাদুজ্জামানের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ কৌশলে ব্যবসায়ীদের আয়কর রিটার্নের ফাইল খুলে দেয়ার পর থেকে তিনি দোকানে দোকানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ধরনের আইনি ঝামেলার কথা বলে ইচ্ছেমতো আয়কর দাখিল করিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার করদাতাদের কাছে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে সরকার প্রকৃত আয়কর থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিবছর। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আসাদুজ্জামানের প্রতারণার কৌশলের শিকার হয়ে অযাচিত আয়কর দিতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিবছর। আসাদুজ্জামানের এর সাথে থাকা আয়কর রিটার্নের কাগজ ঘেটে দেখা যায় নাগরপুর বাজারের কোটিপতি এক ব্যবসায়ীর আয়কর এসেছে শূন্য (০) টাকা। সাংবাদিক পরিচয় আসাদুজ্জামানের অফিস প্রধানের নাম নম্বর চাইলে তিনি বেশ কয়েকজন সাংবাদিক নেতাদের ফোনে ধরিয়ে দেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশের হাতে তাকে সোপর্দ করার জন্য থানায় ফোন দিলেও থানা পুলিশ এসে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। এবং অভিযোগকারীকে এ ধরনের অভিযোগ করে পুলিশকে হয়রানি না করতে নিষেধ করেন নাগরপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেন।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্বওলীর স্থলাভিষিক্তর আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে কালিয়াকৈরে জাকের পার্টির মিলাদ মাহফিল

টাঙ্গাইল আয়কর অফিস সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামানের বিভাগীয় মামলার থাকার বিষয়টি।
নাগরপুর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ১ হাজার আয়কর দাতা থাকলে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলা ও পুরো গাজীপুর জেলা মিলিয়ে হাজারো কর দাতা থাকলে প্রতি করদাতাদের কাছ থেকে কমপক্ষে ৫ হাজার টাকা নিলে সে টাকার অংক গিয়ে দাঁড়ায় এক বৃহৎ সংখ্যায়।
একাধিক বিভাগীয় মামলা কাঁধে নিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গিয়ে এভাবে করদাতাদের হয়রানি করা ও কার ফাঁকি দেয়ার সহায়তাকারী আসাদুজ্জামানের সাথে কথিত সাংবাদিক, পুলিশ সহ কে কে জড়িত বিষয়টি বিস্তর অনুসন্ধানের দাবিদার।

আরও পড়ুনঃ  রক্তের সম্পর্কের এমন নৃশংস পরিণতি কল্পনাও করা যায় না: নিজ মেয়েকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে পিতা গ্রেপ্তার
Tag :

বরগুনায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি

আয়কর অফিসে নাম ভাঙ্গিয়ে দোকানে দোকানে গিয়ে টাকা আদায়

আপডেটের সময়: ১২:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

ইনকাম ট্যাক্স অফিসার পরিচয়ে হাজারো দোকানে গিয়ে প্রতিবছর হাতিয়ে নিচ্ছে শত শত কোটি টাকা।

গতকাল আসাদুজ্জামান তার এক বয়ক্তিগত সহকারী সহ নাগরপুর বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে করের টাকা উত্তোলনের সময় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের কাছে ধরা পড়ে।
বিভিন্ন অপকর্ম ও দুর্নীতির দায়ে বিভাগীয় মামলা কাঁধে নিয়ে আসাদুজ্জামান নামের গাজীপুর আয়কর অফিসের এক কর্মচারী টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে দেয়া কথা বলে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। দোকানী ও আসাদুজ্জামানের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ কৌশলে ব্যবসায়ীদের আয়কর রিটার্নের ফাইল খুলে দেয়ার পর থেকে তিনি দোকানে দোকানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ধরনের আইনি ঝামেলার কথা বলে ইচ্ছেমতো আয়কর দাখিল করিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার করদাতাদের কাছে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে সরকার প্রকৃত আয়কর থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিবছর। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আসাদুজ্জামানের প্রতারণার কৌশলের শিকার হয়ে অযাচিত আয়কর দিতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিবছর। আসাদুজ্জামানের এর সাথে থাকা আয়কর রিটার্নের কাগজ ঘেটে দেখা যায় নাগরপুর বাজারের কোটিপতি এক ব্যবসায়ীর আয়কর এসেছে শূন্য (০) টাকা। সাংবাদিক পরিচয় আসাদুজ্জামানের অফিস প্রধানের নাম নম্বর চাইলে তিনি বেশ কয়েকজন সাংবাদিক নেতাদের ফোনে ধরিয়ে দেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশের হাতে তাকে সোপর্দ করার জন্য থানায় ফোন দিলেও থানা পুলিশ এসে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। এবং অভিযোগকারীকে এ ধরনের অভিযোগ করে পুলিশকে হয়রানি না করতে নিষেধ করেন নাগরপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেন।

আরও পড়ুনঃ  নাগরপুরে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি লাভলু

টাঙ্গাইল আয়কর অফিস সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামানের বিভাগীয় মামলার থাকার বিষয়টি।
নাগরপুর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ১ হাজার আয়কর দাতা থাকলে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলা ও পুরো গাজীপুর জেলা মিলিয়ে হাজারো কর দাতা থাকলে প্রতি করদাতাদের কাছ থেকে কমপক্ষে ৫ হাজার টাকা নিলে সে টাকার অংক গিয়ে দাঁড়ায় এক বৃহৎ সংখ্যায়।
একাধিক বিভাগীয় মামলা কাঁধে নিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গিয়ে এভাবে করদাতাদের হয়রানি করা ও কার ফাঁকি দেয়ার সহায়তাকারী আসাদুজ্জামানের সাথে কথিত সাংবাদিক, পুলিশ সহ কে কে জড়িত বিষয়টি বিস্তর অনুসন্ধানের দাবিদার।

আরও পড়ুনঃ  রক্তের সম্পর্কের এমন নৃশংস পরিণতি কল্পনাও করা যায় না: নিজ মেয়েকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে পিতা গ্রেপ্তার