Dhaka ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
যৌতুকের জমির জেরে ডিমলায় সংঘর্ষ: ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের পিটুনিতে মা নিহত, আটক ৪ সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কর্তৃক ৯০ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের ভারতীয় উন্নতমানের শার্টের থান কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক রাস্তা-সাঁকোর পর এবার কালভার্ট সংস্কারে যুবদল নেতা এনায়েত সত্যের সন্ধানে অবিরাম ১১ বছরে দৈনিক আমাদের প্রতিদিন কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রাইভেট ক্লিনিক মালিকদের মতবিনিময় সভা সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক আমতলীতে দোকানে অগ্নিকাণ্ড ২৫ লাখ টাকা ক্ষতির আশংকা কালীগঞ্জে বিপিএল সিজন-৫ এর ফাইনালে এ্যাটাক টাইটান ৫ উইকেটে চ্যাম্পিয়ন

শিবচরে কাঁচা সবজিসহ নিত্য পণ্যের চড়া দামে দিশেহারা নিম্ন আয়ের মানুষ

মাদারীপুরের শিবচরে লাগামহীনভাবে বাড়ছে কাঁচা সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার (পোল্ট্রি) মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

​শিবচরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে বাজারে প্রতিটি সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এখন বেশিরভাগ সবজিই কেজিতে ১০০ টাকার ওপরে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

​বাজারের বর্তমান দর তালিকা অনুযায়ী— প্রতি কেজি গোল বেগুন ১৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, শসা ৫০ টাকা এবং কচুর মুখী ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, আদা ১৪০ টাকা ও গাজর ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। বরবটির দাম রাখা হচ্ছে ৬০ টাকা আধা কেজি (১২০ টাকা কেজি)।

​নিত্যপণ্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ ক্রেতাদের। বাজার করতে আসা নছিরন বিবি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, তরিতরকারির দাম এত বাড়লে আমরা কী খাইয়া বাঁচুম? কাঁচা মরিচের দাম সাড়ে তিনশ টাকায় ঠেকেছে। এখন ১০০ টাকার নিচে বাজারে কোনো তরকারিই পাওয়া যায় না।”

আরও পড়ুনঃ  কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রাইভেট ক্লিনিক মালিকদের মতবিনিময় সভা

​আরেক ক্রেতা শাহাজুল আলম বলেন, “আজকে ১৬০ টাকা কেজি দরে গোল বেগুন কিনলাম। কাঁচা মরিচসহ প্রায় সব ধরনের সবজিই বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। যেভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, তাতে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে সংসার চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।”

​সবজির দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সরবরাহের ঘাটতিকে দায়ী করছেন। শিবচর পৌর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী কাসেম বলেন, “টানা বৃষ্টির কারণে জমির অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। বাজারে এখন কাঁচা সবজির সরবরাহ অনেক কম, যার কারণে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম একটু বেশি।”

আরও পড়ুনঃ  নাগরপুরে হিফজুল কুরআন ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

​এদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী যদি সিন্ডিকেটের সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

যৌতুকের জমির জেরে ডিমলায় সংঘর্ষ: ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের পিটুনিতে মা নিহত, আটক ৪

শিবচরে কাঁচা সবজিসহ নিত্য পণ্যের চড়া দামে দিশেহারা নিম্ন আয়ের মানুষ

আপডেটের সময়: ০৯:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

মাদারীপুরের শিবচরে লাগামহীনভাবে বাড়ছে কাঁচা সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার (পোল্ট্রি) মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

​শিবচরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে বাজারে প্রতিটি সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এখন বেশিরভাগ সবজিই কেজিতে ১০০ টাকার ওপরে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

আরও পড়ুনঃ  জাকের পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হলেন আবুল খায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ

​বাজারের বর্তমান দর তালিকা অনুযায়ী— প্রতি কেজি গোল বেগুন ১৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, শসা ৫০ টাকা এবং কচুর মুখী ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, আদা ১৪০ টাকা ও গাজর ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। বরবটির দাম রাখা হচ্ছে ৬০ টাকা আধা কেজি (১২০ টাকা কেজি)।

​নিত্যপণ্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ ক্রেতাদের। বাজার করতে আসা নছিরন বিবি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, তরিতরকারির দাম এত বাড়লে আমরা কী খাইয়া বাঁচুম? কাঁচা মরিচের দাম সাড়ে তিনশ টাকায় ঠেকেছে। এখন ১০০ টাকার নিচে বাজারে কোনো তরকারিই পাওয়া যায় না।”

আরও পড়ুনঃ  কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

​আরেক ক্রেতা শাহাজুল আলম বলেন, “আজকে ১৬০ টাকা কেজি দরে গোল বেগুন কিনলাম। কাঁচা মরিচসহ প্রায় সব ধরনের সবজিই বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। যেভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, তাতে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে সংসার চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।”

​সবজির দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সরবরাহের ঘাটতিকে দায়ী করছেন। শিবচর পৌর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী কাসেম বলেন, “টানা বৃষ্টির কারণে জমির অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। বাজারে এখন কাঁচা সবজির সরবরাহ অনেক কম, যার কারণে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম একটু বেশি।”

আরও পড়ুনঃ  যৌতুকের জমির জেরে ডিমলায় সংঘর্ষ: ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের পিটুনিতে মা নিহত, আটক ৪

​এদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী যদি সিন্ডিকেটের সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।