Dhaka ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
অপরাধ দমনে সাফল্য, মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ওসি আলাউদ্দিন শিবচরে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ আমরা জনগণের দাবি আদায় করেই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ : ডা. শফিকুর রহমান জাকের পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে বৃক্ষরোপণ ও মাছ অবমুক্তকরণ টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে টাইমস অব বাংলাদেশ এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শিবচরে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মুখপোড়া হনুমানটির মৃত্যু সালথায় মানবিকতা ও সম্প্রীতিতে শান্তির সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে পিকআপ ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১জন নিহত মসলিন কটন মিল শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

আমরা জনগণের দাবি আদায় করেই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ : ডা. শফিকুর রহমান

 

শনিবার (১২’সেপ্টেম্বর২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) শিল্পকলা একাডেমিতে টাঙ্গাইল জেলার দায়িত্বশীলদের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা . শফিকুর রহমান।

‘দেশের মানুষ ভালো নেই, দেশও ভালো নেই’—এমন মন্তব্য করেছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধী দলকে চৌকিদার ও ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করতে হয়। দেশের যেখানেই অসংগতি দেখা যাবে, সেখানেই তারা কথা বলবেন।
জামাতের আমির বলেন, বর্তমান সরকার কুরআনের আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে আইন পাশ করেছে যা সুস্পষ্ট কুরআন বিরোধী।
এই সরকার ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল আমরা অনির্বাচিত কাউকে ক্ষমতায় বসাবো না কিন্তু এখন তারা করছে উল্টাটা।

জামায়াত আমির বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে সরকারকে সহযোগিতা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। সংসদের ভেতরে বারবার কথা বলেও কোনো সমাধান না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাজপথে নামতে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ‘স্বৈরাচার ফিরে আসবে’—এমন কথা বলে আমাদেরকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

আমিরে জামায়াত বলেন, ৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় অনেক লোক মারা গেছেন না খেয়ে। তখন লাশ রাস্তায় পারে থাকতো। সেই রকম একটা অবস্থা পার করে এসেছে এই দেশ।

আরও পড়ুনঃ  শরতের ছোঁয়ায় শিবচরের চরে সাদা মেঘের সাথে মিতালি কাশফুলের

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওই সময়ের পর জনগণ দেশের আমূল সংস্কার চেয়েছিলেন। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় এসে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে। গণভোটের রায়ও বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘জ্বালানি ও বিদ্যু সংকটের কারণে শিল্পের উৎপাদন আরও কমতে থাকলে মালিকদের পক্ষে ব্যাংকঋণ পরিশোধ, কারখানা চালু রাখা এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।’

প্রয়োজনে অন্যখাত থেকে কাটছাঁট করে শিল্পখাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মধ্যস্বত্বভোগী, সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ।’ চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।

দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিতে লাগাম টানা না গেলে সরকারের কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণ আমাদের কাছে বলে, আপনাদের (সরকারের কাছে) কাছেও নিশ্চয় বলে—দুর্নীতির মাত্রা আগের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা যদি আমরা লাগাম টেনে ধরতে না পারি, তাহলে যত পরিকল্পনাই আমরা নিই, কোনো পরিকল্পনাই আসলে সফলতার মুখ দেখবে না।’

বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রসঙ্গ তুলে শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেছিলেন, চার-পাঁচ মাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি, বরং দুর্নীতির প্রবৃদ্ধি হয়েছে।’এ বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘এটা আমার কথা নয়, এটা প্রেসিডেন্ট জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবের কথা।’

আরও পড়ুনঃ  মসলিন কটন মিল শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

তিনি আরও বলেন, দেশে কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প খাতে মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে।

জামায়াতের আমির বলেন, ১৯৭৪ সালে যখন দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তখন বিএনপি বা জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় ছিল না; বরং ক্ষমতায় ছিল শেখ মুজিবের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সেই দুর্ভিক্ষ ও সাধারণ মানুষের চরম দুর্গতি ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি কেন তখন রাজনৈতিক গুম-খুন ও দমন-পীড়ন চালানো হয়েছিল।
চারদলীয় জোট সরকারের ৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বিকাল ৩টায় বায়তুল মোকাররমের উত্তর সড়কে পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ ছিলো। সকাল থেকেই সভার মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। হঠাৎ করেই বেলা ১১টার দিকে লগি,বৈঠা ও অস্ত্রধারীরা জামায়াতের সমাবেশ স্থলে হামলা চালায়। তারা একযোগে বিজয়নগর, তোপখানা রোড ও মুক্তাঙ্গন থেকে পল্টন মোড় দিয়ে আক্রমণ চালায়। এক পর্যায়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পল্টনের বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পড়ে এবং নিরীহ জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বেধড়ক পেটাতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মুখপোড়া হনুমানটির মৃত্যু

লগি-বৈঠা আর অস্ত্রধারীদের হাতে একের পর এক আহত হতে থাকে নিরস্ত্র জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা। লগি-বৈঠা দিয়ে একের পর এক আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করে মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তারা তার লাশের উপর ওঠে নৃত্য-উল্লাস করতে থাকে।

লংমার্চের মাধ্যমে জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন করা হচ্ছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, একদিন জনগণের দাবি পূরণ হবেই।

জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমির আধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক , ইফসুর সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির , অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম খান, সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম , এনসিপির জেলা সভাপতি এডভোকেট কামরুজ্জামান শাওন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা কামরুল হাসান, বায়তুল মাল সেক্রেটারি আহসান হাবিবুল্লাহ দেলোয়ার, জেলার কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ তালুকদার, ড. আতাউর রহমান, ওবায়দুর রহমান কোরাইশী, শহর আমির মিজানুর রহমান চৌধুরী,নাগরপুর উপজেলা আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সদর আমির ইকবাল হোসাইন বাদল প্রমুখ।

জনপ্রিয় পোস্ট

অপরাধ দমনে সাফল্য, মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ওসি আলাউদ্দিন

আমরা জনগণের দাবি আদায় করেই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ : ডা. শফিকুর রহমান

আপডেটের সময়: ০৪:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

শনিবার (১২’সেপ্টেম্বর২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) শিল্পকলা একাডেমিতে টাঙ্গাইল জেলার দায়িত্বশীলদের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা . শফিকুর রহমান।

‘দেশের মানুষ ভালো নেই, দেশও ভালো নেই’—এমন মন্তব্য করেছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধী দলকে চৌকিদার ও ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করতে হয়। দেশের যেখানেই অসংগতি দেখা যাবে, সেখানেই তারা কথা বলবেন।
জামাতের আমির বলেন, বর্তমান সরকার কুরআনের আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে আইন পাশ করেছে যা সুস্পষ্ট কুরআন বিরোধী।
এই সরকার ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল আমরা অনির্বাচিত কাউকে ক্ষমতায় বসাবো না কিন্তু এখন তারা করছে উল্টাটা।

জামায়াত আমির বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে সরকারকে সহযোগিতা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। সংসদের ভেতরে বারবার কথা বলেও কোনো সমাধান না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাজপথে নামতে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ‘স্বৈরাচার ফিরে আসবে’—এমন কথা বলে আমাদেরকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

আমিরে জামায়াত বলেন, ৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় অনেক লোক মারা গেছেন না খেয়ে। তখন লাশ রাস্তায় পারে থাকতো। সেই রকম একটা অবস্থা পার করে এসেছে এই দেশ।

আরও পড়ুনঃ  শিবচরে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওই সময়ের পর জনগণ দেশের আমূল সংস্কার চেয়েছিলেন। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় এসে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে। গণভোটের রায়ও বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘জ্বালানি ও বিদ্যু সংকটের কারণে শিল্পের উৎপাদন আরও কমতে থাকলে মালিকদের পক্ষে ব্যাংকঋণ পরিশোধ, কারখানা চালু রাখা এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।’

প্রয়োজনে অন্যখাত থেকে কাটছাঁট করে শিল্পখাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মধ্যস্বত্বভোগী, সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ।’ চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।

দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিতে লাগাম টানা না গেলে সরকারের কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণ আমাদের কাছে বলে, আপনাদের (সরকারের কাছে) কাছেও নিশ্চয় বলে—দুর্নীতির মাত্রা আগের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা যদি আমরা লাগাম টেনে ধরতে না পারি, তাহলে যত পরিকল্পনাই আমরা নিই, কোনো পরিকল্পনাই আসলে সফলতার মুখ দেখবে না।’

বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রসঙ্গ তুলে শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেছিলেন, চার-পাঁচ মাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি, বরং দুর্নীতির প্রবৃদ্ধি হয়েছে।’এ বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘এটা আমার কথা নয়, এটা প্রেসিডেন্ট জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবের কথা।’

আরও পড়ুনঃ  শিবচরে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ

তিনি আরও বলেন, দেশে কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প খাতে মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে।

জামায়াতের আমির বলেন, ১৯৭৪ সালে যখন দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তখন বিএনপি বা জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় ছিল না; বরং ক্ষমতায় ছিল শেখ মুজিবের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সেই দুর্ভিক্ষ ও সাধারণ মানুষের চরম দুর্গতি ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি কেন তখন রাজনৈতিক গুম-খুন ও দমন-পীড়ন চালানো হয়েছিল।
চারদলীয় জোট সরকারের ৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বিকাল ৩টায় বায়তুল মোকাররমের উত্তর সড়কে পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ ছিলো। সকাল থেকেই সভার মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। হঠাৎ করেই বেলা ১১টার দিকে লগি,বৈঠা ও অস্ত্রধারীরা জামায়াতের সমাবেশ স্থলে হামলা চালায়। তারা একযোগে বিজয়নগর, তোপখানা রোড ও মুক্তাঙ্গন থেকে পল্টন মোড় দিয়ে আক্রমণ চালায়। এক পর্যায়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পল্টনের বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পড়ে এবং নিরীহ জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বেধড়ক পেটাতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  জাকের পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে বৃক্ষরোপণ ও মাছ অবমুক্তকরণ

লগি-বৈঠা আর অস্ত্রধারীদের হাতে একের পর এক আহত হতে থাকে নিরস্ত্র জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা। লগি-বৈঠা দিয়ে একের পর এক আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করে মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তারা তার লাশের উপর ওঠে নৃত্য-উল্লাস করতে থাকে।

লংমার্চের মাধ্যমে জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন করা হচ্ছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, একদিন জনগণের দাবি পূরণ হবেই।

জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমির আধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক , ইফসুর সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির , অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম খান, সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম , এনসিপির জেলা সভাপতি এডভোকেট কামরুজ্জামান শাওন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা কামরুল হাসান, বায়তুল মাল সেক্রেটারি আহসান হাবিবুল্লাহ দেলোয়ার, জেলার কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ তালুকদার, ড. আতাউর রহমান, ওবায়দুর রহমান কোরাইশী, শহর আমির মিজানুর রহমান চৌধুরী,নাগরপুর উপজেলা আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সদর আমির ইকবাল হোসাইন বাদল প্রমুখ।