Dhaka ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কৌশল ও সুযোগ’ বিষয়ে আয়োজিত পরামর্শ সভা জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিজয়নগরে জুশনে জুলুশের র‍্যালি স্থগিত ঘোষণা চট্টগ্রামে সেনবাগ পেশাজীবী পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শিবচরে মাকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া শিশু আবিরের লাশ ৫ দিন পর উদ্ধার কালীগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ, আহত ৫ শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার বেপারী গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন থেকে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল আটক সিঙ্গারবিল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মানিক মিয়ার সমর্থনে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা সেনবাগে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা: রাত ৮টার পরও খোলা থাকছে দোকানপাট গাজীপুরে মৃধা জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় ও সৌহার্দ্য সমাবেশ

বরগুনা উপকূলীয় এলাকার জনসাধারণ নদীভাংগনের কবলে নিঃস্ব এবং তাদের প্রত্যাশা

বরগুনা জেলা উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় নদী ভাঙন এখানকার একটি দীর্ঘস্থায়ী এবং জটিল সমস্যা। বিষখালী, পায়রা এবং বলেশ্বর—এই তিনটি প্রধান নদী দ্বারা বেষ্টিত এই জেলাটি প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমি ও বসতভিটা হারায়।

উপকূলীয় জেলা বরগুনার মানুষের জীবনজুড়ে বছরের পর বছর লড়াই করতে হচ্ছে নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস আর পানিবদ্ধতার সঙ্গে। এর সঙ্গে নতুন যুক্ত হয়েছে তীব্র কর্মসংস্থান সংকট। বছরের পর বছর অবহেলার শিকার এ জেলার বাসিন্দাদের এখন একটাই চাওয়া—টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ আর শিল্পায়ন।

আরও পড়ুনঃ  সেনবাগে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা: রাত ৮টার পরও খোলা থাকছে দোকানপাট

জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বিষখালী, বলেশ্বর, পায়রা ও খাকদোন নদীর ভাঙনে প্রতিবছর অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হচ্ছে। বিশেষ করে পাথরঘাটা, বামনা, বেতাগী, তালতলী ও আমতলী উপজেলায় ভাঙনের ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে দায়সারা কাজ করা হলেও দীর্ঘমেয়াদি নদী শাসন বা স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ  গাজীপুরে মৃধা জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় ও সৌহার্দ্য সমাবেশ

অন্যদিকে, শিল্পকারখানার অভাব ও বিনিয়োগ না থাকায় বরগুনায় বেকারত্ব চরম আকার ধারণ করেছে। কাজের সন্ধানে এই অঞ্চলের শিক্ষিত তরুণরা দলে দলে ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, মৎস্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন এবং পর্যটন খাতের উন্নয়ন করা গেলে বরগুনাতেই বিপুল কর্মসংস্থান সম্ভব।

ভুক্তভূগী বরগুনা সদরের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘ ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শেষ করে বরগুনায় কোনো কাজের সুযোগ পাচ্ছে না। আমরা চাই নিজের জেলাতেই কাজ করে পরিবার নিয়ে থাকতে।’ ‘ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে আমরা উপকূলের বাসিন্দারা সব হারাই, আবার নতুন করে শুরু করি। এখানে শিল্পকারখানা হলে আমাদের দূরে যেতে হতো না।’

আরও পড়ুনঃ  শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন থেকে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল আটক

এলাকার সচেতন মহল মনে করেন বরগুনার মৎস্য সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে জেলার অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে সরকার এবার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা এলাকার জনসাধারণের ।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কৌশল ও সুযোগ’ বিষয়ে আয়োজিত পরামর্শ সভা

বরগুনা উপকূলীয় এলাকার জনসাধারণ নদীভাংগনের কবলে নিঃস্ব এবং তাদের প্রত্যাশা

আপডেটের সময়: ০১:১৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বরগুনা জেলা উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় নদী ভাঙন এখানকার একটি দীর্ঘস্থায়ী এবং জটিল সমস্যা। বিষখালী, পায়রা এবং বলেশ্বর—এই তিনটি প্রধান নদী দ্বারা বেষ্টিত এই জেলাটি প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমি ও বসতভিটা হারায়।

উপকূলীয় জেলা বরগুনার মানুষের জীবনজুড়ে বছরের পর বছর লড়াই করতে হচ্ছে নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস আর পানিবদ্ধতার সঙ্গে। এর সঙ্গে নতুন যুক্ত হয়েছে তীব্র কর্মসংস্থান সংকট। বছরের পর বছর অবহেলার শিকার এ জেলার বাসিন্দাদের এখন একটাই চাওয়া—টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ আর শিল্পায়ন।

আরও পড়ুনঃ  সিঙ্গারবিল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মানিক মিয়ার সমর্থনে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বিষখালী, বলেশ্বর, পায়রা ও খাকদোন নদীর ভাঙনে প্রতিবছর অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হচ্ছে। বিশেষ করে পাথরঘাটা, বামনা, বেতাগী, তালতলী ও আমতলী উপজেলায় ভাঙনের ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে দায়সারা কাজ করা হলেও দীর্ঘমেয়াদি নদী শাসন বা স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ  গাজীপুরে মৃধা জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় ও সৌহার্দ্য সমাবেশ

অন্যদিকে, শিল্পকারখানার অভাব ও বিনিয়োগ না থাকায় বরগুনায় বেকারত্ব চরম আকার ধারণ করেছে। কাজের সন্ধানে এই অঞ্চলের শিক্ষিত তরুণরা দলে দলে ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, মৎস্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন এবং পর্যটন খাতের উন্নয়ন করা গেলে বরগুনাতেই বিপুল কর্মসংস্থান সম্ভব।

ভুক্তভূগী বরগুনা সদরের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘ ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শেষ করে বরগুনায় কোনো কাজের সুযোগ পাচ্ছে না। আমরা চাই নিজের জেলাতেই কাজ করে পরিবার নিয়ে থাকতে।’ ‘ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে আমরা উপকূলের বাসিন্দারা সব হারাই, আবার নতুন করে শুরু করি। এখানে শিল্পকারখানা হলে আমাদের দূরে যেতে হতো না।’

আরও পড়ুনঃ  সেনবাগে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা: রাত ৮টার পরও খোলা থাকছে দোকানপাট

এলাকার সচেতন মহল মনে করেন বরগুনার মৎস্য সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে জেলার অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে সরকার এবার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা এলাকার জনসাধারণের ।