
গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় জোট।
শনিবার (৪’জুলাই ২৬খ্রি.) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মিছিলপূর্ব সমাবেশ শেষে গণমিছিলটি শুরু হয়। গণমিছিলটি প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে নিরালা মোড়, ভিক্টোরিয়া রোড, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, টাঙ্গাইল- ময়নমসিংহ মহাসড়ক, রেজিস্ট্রি পাড়া হয়ে পুনরায় প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।
টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি হোসনি মোবারক বাবুলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান শাওন, জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবীর, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা কামরুল হাসান, এনসিপির জেলা সেক্রেটারি মাসুদুর রহমান রাসেল, জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম খান,শহর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
মিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের আপামর ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও শহীদদের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। যে ফ্যাসিবাদের পতনে আপনারা (বিএনপি) কোনও আন্দোলনই সংগঠিত করতে পারেন নি। অথচ ক্ষমতায় বসে এখন জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করে বলছেন জুলাই সনদ, গণভোটের কথা স্বীকার করেছেন নির্বাচনের জন্য। নির্বাচন শেষ, ক্ষমতায় বসেছেন আর এখন বলছেন গণভোটের রায় মানেন না। অনতিবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে জনগণও আপনাদের মানবে না। রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করুন। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম কমিয়ে জনগণকে স্বস্তি দিন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করে। ৩০ জুন মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার।
মোঃ হালিম মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি : 
















