Dhaka ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
টাঙ্গাইলে টিউবওয়েলের পানি পান করে অসুস্থ ৪০ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ছুটে গেলেন এমপি লাভলু সালথায় নবগঠিত ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল টাঙ্গাইল নাগরপুরে স্কুল টিউবয়েলের পানি খেয়ে ৩১’জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে সালথা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজ,সাধারণ সম্পাদক সোহেল সালথায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের মহড়া রক্তাক্ত সড়কে ঝরল আরও এক নামহীন প্রাণ, নিথর দেহের পাশে আসেনি কোনো স্বজন কাদামাখা ভাঙাচোরা সড়কে সিমেন্টবোঝাই লরি আটকে ৭ ঘণ্টার দুর্ভোগ, চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কর্তৃক কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে আটক কুমিল্লা বোর্ডের অনুমোদন: চাঁদপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দায়িত্বে আবদুল হান্নান লিটন

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের বিষয়ে একমত হয়েছে বিএনপি ও জামায়াত।

.

তবে এর দিনক্ষণ নিয়ে আছে দ্বিমত। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা জানিয়েছেন, এ নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত জানাবেন তারা।

বুধবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভায় সংসদ নির্বাচনের দিনেই এই ভোট আয়োজনের প্রস্তাব দেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অক্টোবরের শুরুতে আবার বৈঠক হবে বলে জানান তিনি।

এই বৈঠকের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের তৃতীয় দফার আলোচনা শেষ হলো। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে চূড়ান্তভাবে একমত না হলেও, কাছাকাছি পৌঁছেছে বিএনপি-জামায়াত।

এই বৈঠকের আগেই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে কমিশন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তাদের দেওয়া চারটি প্রস্তাব—অধ্যাদেশ জারি, নির্বাহী আদেশ, গণভোট ও বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ—নিয়ে কথা হয় দলগুলোর সঙ্গে।

এর মধ্যে গণভোট বিষয়ে রাজি বিএনপি ও জামায়াত। তবে বিএনপি সংসদ নির্বাচনের দিন এই ভোট চায়, জামায়াত চায় আগেই। আর সিদ্ধান্ত জানাতে দলীয় ফোরামে আলোচনার জন্য সময় চেয়েছে এনসিপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যারা ভোট দেবেন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ভোটার যদি এই জুলাই সনদকে স্বীকৃতি দিয়ে হ্যাঁ বা না বলেন, সেটার একটা লেজিটিমেসি আসবে।’

আর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমেই এটা বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে এর পরে গণভোটে আমরা যেতে পারি। তবে এটা ইলেকশনের পরে নয়। অবশ্যই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই এ ব্যাপারে গণভোট হতে হবে।’

এদিকে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘এই যে নতুন একটা জিনিস নিয়ে এসেছে, এটার বিষয়ে কিন্তু সবাই কনভিন্সড না। এটার বিষয়ে আমাদের আরও আলোচনা করতে হবে। ফলে আমাদের অবস্থান হচ্ছে, গণপরিষদ কাম পার্লামেন্টের যে কথাটা আমরা বলেছি, সেটাই আমরা পুনর্ব্যক্ত করেছি। আজ যে প্রস্তাব আসলো, সেটা নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করব।’

সনদ বাস্তবায়নে সরকারকে একাধিক প্রস্তাব দেবে কমিশন। তবে গণভোটের জন্য সংসদ নির্বাচনের দিনকেই যৌক্তিক মনে করছেন সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, ‘যেদিন পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, একই সময় গণভোট করা যেতে পারে। যে অর্ডারের কথা তারা বলছেন—সাংবিধানিক আদেশ—এর মধ্যে ওই গণভোটের বিধানটি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।’

সনদ ইস্যুতে চূড়ান্ত সমঝোতার জন্য আবারও বৈঠক ডাকবে ঐকমত্য কমিশন। সেটি হতে পারে আগামী মাসের শুরুতে।
সূত্র; idptv
প্রতিবেদক;
মোহাম্মদ জাকির হোসাইন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

টাঙ্গাইলে টিউবওয়েলের পানি পান করে অসুস্থ ৪০ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ছুটে গেলেন এমপি লাভলু

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের বিষয়ে একমত হয়েছে বিএনপি ও জামায়াত।

আপডেটের সময়: ১২:২২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

.

তবে এর দিনক্ষণ নিয়ে আছে দ্বিমত। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা জানিয়েছেন, এ নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত জানাবেন তারা।

বুধবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভায় সংসদ নির্বাচনের দিনেই এই ভোট আয়োজনের প্রস্তাব দেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অক্টোবরের শুরুতে আবার বৈঠক হবে বলে জানান তিনি।

এই বৈঠকের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের তৃতীয় দফার আলোচনা শেষ হলো। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে চূড়ান্তভাবে একমত না হলেও, কাছাকাছি পৌঁছেছে বিএনপি-জামায়াত।

এই বৈঠকের আগেই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে কমিশন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তাদের দেওয়া চারটি প্রস্তাব—অধ্যাদেশ জারি, নির্বাহী আদেশ, গণভোট ও বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ—নিয়ে কথা হয় দলগুলোর সঙ্গে।

এর মধ্যে গণভোট বিষয়ে রাজি বিএনপি ও জামায়াত। তবে বিএনপি সংসদ নির্বাচনের দিন এই ভোট চায়, জামায়াত চায় আগেই। আর সিদ্ধান্ত জানাতে দলীয় ফোরামে আলোচনার জন্য সময় চেয়েছে এনসিপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যারা ভোট দেবেন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ভোটার যদি এই জুলাই সনদকে স্বীকৃতি দিয়ে হ্যাঁ বা না বলেন, সেটার একটা লেজিটিমেসি আসবে।’

আর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমেই এটা বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে এর পরে গণভোটে আমরা যেতে পারি। তবে এটা ইলেকশনের পরে নয়। অবশ্যই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই এ ব্যাপারে গণভোট হতে হবে।’

এদিকে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘এই যে নতুন একটা জিনিস নিয়ে এসেছে, এটার বিষয়ে কিন্তু সবাই কনভিন্সড না। এটার বিষয়ে আমাদের আরও আলোচনা করতে হবে। ফলে আমাদের অবস্থান হচ্ছে, গণপরিষদ কাম পার্লামেন্টের যে কথাটা আমরা বলেছি, সেটাই আমরা পুনর্ব্যক্ত করেছি। আজ যে প্রস্তাব আসলো, সেটা নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করব।’

সনদ বাস্তবায়নে সরকারকে একাধিক প্রস্তাব দেবে কমিশন। তবে গণভোটের জন্য সংসদ নির্বাচনের দিনকেই যৌক্তিক মনে করছেন সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, ‘যেদিন পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, একই সময় গণভোট করা যেতে পারে। যে অর্ডারের কথা তারা বলছেন—সাংবিধানিক আদেশ—এর মধ্যে ওই গণভোটের বিধানটি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।’

সনদ ইস্যুতে চূড়ান্ত সমঝোতার জন্য আবারও বৈঠক ডাকবে ঐকমত্য কমিশন। সেটি হতে পারে আগামী মাসের শুরুতে।
সূত্র; idptv
প্রতিবেদক;
মোহাম্মদ জাকির হোসাইন।