
গাজীপুরের কালীগঞ্জে সড়কের পাশ থেকে সাইফুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের মুখমণ্ডল ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন থাকায় ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের সোম নতুন বাজারের উত্তর পাশে গোরস্থান সংলগ্ন টায়ার ফ্যাক্টরির কাছে বেড়িবাঁধ সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সাইফুল ইসলাম একই ইউনিয়নের অলুয়া গ্রামের আলফাজ উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম বিভিন্ন জেলায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি সোমবার দুপুরে বাড়িতে ফিরেছিলেন। পরদিন সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহতের মুখের ডান পাশে ভারী বা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া গলার মাঝখানেও ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ও আঘাতের ধরন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহটি নির্জন স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উত্তর সোম গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ওয়ার্ড সদস্য মো. আরমান হোসেন রাজ এবং টিওরী গ্রামের সরজ নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
সংবাদ লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : 








