
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে ওসমান মিয়ার ১৯৯৯ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক পাঁচ শতক ওয়ারিশ সূত্রে মালিকানা মোট ১০শতক জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাই আলম মিয়ার বিরুদ্ধে। ওসমান মিয়ার দাদার নাম সোনা মিয়া, সোনা মিয়ার দুই ছেলে একজনের নাম নুরু মিয়া আরেকজনের নাম মিলন মিয়া।
নুরু মিয়ার তিন ছেলে হুমায়ুন কবির ওসমান শাহ আলম ও ওসমান মিয়ার মিলন মিয়ার চার ছেলে মকবুল হান্নান আমির জাকির ও আলম। ১০শতক জায়গার মধ্যে নুরু মিয়ার সন্তানরা ভাগে পায় পাচ শতক শতক, আর মিলন মিয়ার সন্তানরা প্রায় পাঁচশত। ১৯৯৯ সালে ১১৯ নং দাগে বাড়াইল মোজার পাঁচ শতক জায়গা মিলন মিয়ার বড় ছেলে মকবুল হোসেন চাচাতো ভাই হুমায়ুন ওসমান ও শাহ আলমের নিকট বিক্রয় করে দেন। ১৯৯৯ সালে দলিল থেকে দলিল চলতো তখন আর খারিজের প্রয়োজন হত না। নুরু মিয়ার তিন ছেলে সরল বিশ্বাসে দলিলের পর জমির হারিস করেন নাই। এই সুযোগে মিলন মিয়ার ছেলে আলম ১৩৭০ নং দলিল ২০০৭ মূলে ১১৯ দাগের সর্বমোট ১০ শতক জায়গা নিজের নামে হাদিস করে নেন।
অথচ এই জায়গার খতিয়ান মিলন চার ছেলের নাম উল্লেখ থাকলেও আলম মি আর নামই নেই।আলম মিয়া এই জায়গা সাম্প্রতিক সময়ে আলম মিয়া ধরাভাঙ্গার আবুল হোসেনের ছেলে রবিউল্লার নিকট এই ১০ শতক জায়গা বিক্রয়ের বায়না করেন। রাতের আঁধারে কৃষি জমিটি খেতে পার বাঁধলে ওসমান মিয়ার নড়ে। তিনি তার জমি পার বাঁধা দেখে বাধা দান করেন। এবং নবীনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে জানতে রবিউলাকে মোবাইলে কল দিলে তিনি বলেন আমি টাকা দিয়ে জায়গা রেখেছি। জায়গায় সমস্যা থাকলে সমাধানের পর আমাকে বুঝিয়ে দিবে নতুবা টাকা ফেরত দিবে এটাই আমার শেষ কথা।
ভুক্তভোগী উসমান প্রতিকার চেয়ে আলমের খতিয়ান বাতিল চেয়ে ১৫/০৯/২০২৪ তারিখে সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর আবেদন করেন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সলিমগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েবের নিকট তদন্তের জন্য আবেদনটি পাঠালেও দীর্ঘ নয় মাস যাবত সে কোন প্রতিবেদন উপজেলা অফিসে পাঠাইনি।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন নায়েবের নিকট জানতে বারবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে নবীনগর সহকারী কমিশনার ভূমি খালিদ বিন মনসুর এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই বিষয়টি নিয়ে অবগত আছি সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের নায়েব আমাদের কাজে অসহযোগিতা করছে ইতিমধ্যে তাকে বদলি করা হয়েছে, নতুন যিনি যোগদান করবেন তাকে নির্দেশ প্রদান করা হবে গুরুত্বের সাথে সাথে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য।
হুমায়ূন কবীর, নবীনগর (ব্রাক্ষণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ 









