Dhaka 11:33 pm, Wednesday, 25 February 2026

নগরকান্দার মাঠজুড়ে পেঁয়াজ বীজের সবুজ সমারোহ, লাভের আশায় কৃষক

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ‘কালো সোনা’ খ্যাত পেঁয়াজের বীজ চাষে সফলতার মুখ দেখতে শুরু করেছেন কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার বিভিন্ন ফসলি মাঠজুড়ে এখন চোখে পড়ে পেঁয়াজ বীজের সবুজ ক্ষেত, যা কৃষকদের মনে জাগিয়েছে নতুন স্বপ্ন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজের বীজের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও কম। কৃষকরা এ মৌসুমে লাভবান হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় কৃষক আসাদ মাতুব্বর বলেন, এ বছর ১৫ কাঠা জমিতে গুটি পেঁয়াজ রোপণ করেছেন। নিয়মিত পরিচর্যা করা হচ্ছে। ফলন ভালো হলে বাজারে বিক্রি করে ভালো লাভের আশা করছেন তিনি।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পেঁয়াজের বীজ উচ্চমূল্যে বিক্রি হওয়ায় একে ‘কালো সোনা’ বলা হয়। উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম এবং লাভ বেশি হওয়ায় বিগত কয়েক বছরে এ অঞ্চলে পেঁয়াজ বীজ চাষে আগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ধান ও অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি অনেক কৃষক এখন পেঁয়াজ বীজ চাষে ঝুঁকছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে রেকর্ড গড়তে পারে নগরকান্দা উপজেলা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

২০২৫ ইং বৃত্তি পরীক্ষায় সাধারণ গ্রেডে উত্তীর্ণ হওয়ায় সিংগারবিল ইউনিয়নের গৌরব অর্জন করেছেন মোহাম্মদ তৌসিফ আহমেদ

নগরকান্দার মাঠজুড়ে পেঁয়াজ বীজের সবুজ সমারোহ, লাভের আশায় কৃষক

Update Time : 08:59:52 pm, Wednesday, 25 February 2026

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ‘কালো সোনা’ খ্যাত পেঁয়াজের বীজ চাষে সফলতার মুখ দেখতে শুরু করেছেন কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার বিভিন্ন ফসলি মাঠজুড়ে এখন চোখে পড়ে পেঁয়াজ বীজের সবুজ ক্ষেত, যা কৃষকদের মনে জাগিয়েছে নতুন স্বপ্ন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজের বীজের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও কম। কৃষকরা এ মৌসুমে লাভবান হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় কৃষক আসাদ মাতুব্বর বলেন, এ বছর ১৫ কাঠা জমিতে গুটি পেঁয়াজ রোপণ করেছেন। নিয়মিত পরিচর্যা করা হচ্ছে। ফলন ভালো হলে বাজারে বিক্রি করে ভালো লাভের আশা করছেন তিনি।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পেঁয়াজের বীজ উচ্চমূল্যে বিক্রি হওয়ায় একে ‘কালো সোনা’ বলা হয়। উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম এবং লাভ বেশি হওয়ায় বিগত কয়েক বছরে এ অঞ্চলে পেঁয়াজ বীজ চাষে আগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ধান ও অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি অনেক কৃষক এখন পেঁয়াজ বীজ চাষে ঝুঁকছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে রেকর্ড গড়তে পারে নগরকান্দা উপজেলা।