
মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর নির্দেশনা “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক” এ মূলমন্ত্রে দিক্ষিত হয়ে সীমান্ত দিয়ে যাতে ভারত হতে মাদকদ্রব্যসহ যে কোন ধরণের চোরাচালানী মালামাল বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) বদ্ধ পরিকর এবং গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২৪ জুলাই আনুমানিক ১১ ঘটিকায় সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) এর একটি বিশেষ টহলদল কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার ২০০১/এমপি হতে আনুমানিক ০৫ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইব্রাহীমপুর নামক স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে সিলেট হতে ঢাকাগামী সন্দেহজনক একটি কাভার্ড ভ্যান তল্লাশীর জন্য থামানো হলে বিজিবি সদস্যদের দেখতে পেয়ে গাড়িতে থাকা একজন ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি টহলদল কর্তৃক কাভার্ড ভ্যানে থাকা ব্যক্তির নিকট জিরার বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করার জন্য বলা হলে বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
এ সময় বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পারায় উক্ত স্থান হতে বিজিবি টহলদল কর্তৃক ভারতীয় *জিরা-৬,০০০ কেজি এবং কাভার্ড ভ্যান-০১টি* আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত ভারতীয় জিরা এবং কাভার্ড ভ্যান এর আনুমানিক সিজার মূল্য- এক কোটি টাকা। আটককৃত ভারতীয় জিরা এবং কাভার্ড ভ্যান আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা সর্বোত্তকভাবে অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমানে চোরাচালানী মালামাল আটক করা হয়।
মোঃ শামীম উসমান গণী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ 


















