
সহিংসতায় না জড়ানোর অঙ্গীকার করে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র জমা দেওয়ার উদ্যোগ নেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ৬টি গ্রামবাসী। ওই ছয় গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার (১০ জুন) বিকেলে মাঝারদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অস্ত্র সমর্পন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন। তবে ছয় গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র জমা দিয়েছেন মাত্র ২৩ টি। এর মধ্যে ঢাল ১২ টি আর সরকি-টেটা ১১টি।
বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। স্থানীয় অনেকে বলেছেন, গ্রামবাসী অস্ত্র জমা দেওয়ার নামে পুলিশ ও প্রশাসনের সাথে এক ধরণের প্রতারণা করেছেন। কারণ- মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া, খলিশপট্টি, মুরাটিয়া, নওপাড়া, কাগদী ও বাতাগ্রাম গ্রামে হাজারো দেশীয় অস্ত্র মজুদ রয়েছে। অথচ জমা দিয়েছেন মাত্র ২৩ টি। যদিও অস্ত্র জমাদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন পুলিশ ও প্রশাসন। এবং গ্রামবাসীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
অস্ত্র সমর্পন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ, পুলিশ পরিদর্শক ইন্দ্রজিৎ মল্লিক, সালথা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের মানুষ স্বেচ্ছায় ২৩টি দেশীয় অস্ত্র জমা দিয়েছেন। যারা স্বেচ্ছায় অস্ত্র জমা দিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন, তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। তাদের এই পদক্ষেপ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।
সালথা- (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: 

















