
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ২ নম্বর বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সাহার আলীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পোস্টটির মূল উৎস শনাক্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
ডিমলা থানায় দেওয়া অভিযোগে সাহার আলী উল্লেখ করেন, হাকিমের চৌপথির পশ্চিম পাশে একটি ফাঁকা জায়গায় তাকে ডেকে নিয়ে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, প্রয়োজনীয় কাজে ঢাকায় অবস্থানকালে গত ২৪ আগস্ট রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ‘Rocky Chaudhari’ নামের একটি ফেসবুক আইডিতে তার ছবি দেখতে পান তিনি। ছবিতে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের মাঝে তাকে ঘিরে রাখা এবং হাতে হাতকড়া পরানো অবস্থায় দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেন সাহার আলী।
ওই পোস্টে তাকে ডিমলার ২ নম্বর বালাপাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য উল্লেখ করে ‘দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা’ এবং ‘পুলিশের হাতে আটক’ এমন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সাহার আলী বলেন, পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় ভোটারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। এতে তার সামাজিক মর্যাদা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, ফেসবুকে প্রকাশিত ছবিটি প্রকৃত ঘটনার কোনো অংশ কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি পোস্টটির মূল উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ও অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইউপি সদস্য মোঃ সাহার আলী।
আমীর হামজা, নিলফামারী জেলা প্রতিনিধি : 


















