Dhaka ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাহুবল হাসপাতালে জনবল সংকট ও আধুনিক যন্ত্রপাতির দাবি নাগরপুরে হঠাৎই তীব্র লোডশেডিং: গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, চরম ভোগান্তিতে বৃদ্ধ ও শিশু নাগরপুরে এলাসিন সেতুর টোল বন্ধের দাবিতে প্রতীকী অনশন পালিত বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্ণীতি সুনামগঞ্জে বাড়ছেই হামের প্রকোপ, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ১০৫ জন শ্রীমঙ্গলে কালিঘাট পোস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার খিরাতলা-কাঞ্চনপুর গরু বাজারে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশাল গরু, ছাগল ও মহিষের হাটের শুভ উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলে অটোরিকশা-মাইক্রোবাস চালকদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, ভোগান্তিতে যাত্রীরা শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ঝটিকা অভিযান: আন্তঃবিভাগীয় দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী গ্রেফতার নাগরপুরে ভূমি সেবা মেলা: কুইজ প্রতিযোগিতাও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত 

পূবাইলের করমতলায় ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও যাতায়াতের নির্দিষ্ট পথ না থাকায় চারিদিকে পানি জমে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাজীপুর মহানগরীর ৪২নং ওয়ার্ড করমতলা এলাকার চারিদিকে বৃষ্টির পানি জমে আছে। এদিকে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এই পানির মধ্য দিয়ে শিশু ও বৃদ্ধসহ সবাইকে চলাফেরা করতে হয় এবং কি এ পরিবারগুলোর আবাসিক উন্নয়ন বন্ধ আছে দীর্ঘকাল। অনেকেই নিজ বাসভবন ছেড়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া থাকছেন।এমনকি আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস বা মুমূর্ষ রোগী আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সসের সহযোগিতা নেওয়া সম্ভব নয়।

আরও পড়ুনঃ  সুনামগঞ্জে বাড়ছেই হামের প্রকোপ, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ১০৫ জন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী এক নারী বলেন,
পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষার বৃষ্টি নামলে পানিবন্দী হয়ে পড়ি। রাস্তার অভাবে নির্মাণ সামগ্রী আনা-নেওয়া করতে না পাড়ায় বাড়িঘরের নির্মাণ কাজও বন্ধ হয়ে আছে। এখন সব রাস্তা ডুবে গেছে। আমরা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। বাড়ি থেকে মূল সড়কে উঠতে গেলে কোমরপানি ভেঙে যেতে হয়। এলাকার এমন কোনো বাড়ি নেই, যেখানে পানি ওঠেনি। পানির কারণে গৃহবন্দী হয়ে পড়েছি।
ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন জানান, এইখানে ৭০/৮০টি পরিবারের বসবাস। জায়গাটি নিচু হওয়ায় এখানকার বেশির ভাগ ঘরবাড়িতে বৃষ্টি হলেই সমান পানি হয়। ঠিকমতো রান্না করতে না পারায় অনেককে একবেলা খেয়েই দিন পার করতে হচ্ছে।সিটি কর্পোরেশনের সকল নীতি পালন করলেও আমরা নাগরিক সুবিধা পাচ্ছি না । বেশি বর্ষণ হলে অনেকের ঘরে পানি প্রবেশ করে। এলাকায় ড্রেজার দিয়ে নিচু জমি অপরিকল্পিত ভরাট, একটি মাত্র পানি নিষ্কাশনের ড্রেন তাও বন্ধ করে দিয়েছে এলাকার অসাধু চক্রের সদস্যরা, এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা করলে এলাকাবাসী মুক্তি পাবে।

আরও পড়ুনঃ  আসন্ন সিংগারবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ  মনিরুজ্জামান ভুইয়া মিন্টুর নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাহুবল হাসপাতালে জনবল সংকট ও আধুনিক যন্ত্রপাতির দাবি

পূবাইলের করমতলায় ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী

আপডেটের সময়: ০৬:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও যাতায়াতের নির্দিষ্ট পথ না থাকায় চারিদিকে পানি জমে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাজীপুর মহানগরীর ৪২নং ওয়ার্ড করমতলা এলাকার চারিদিকে বৃষ্টির পানি জমে আছে। এদিকে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এই পানির মধ্য দিয়ে শিশু ও বৃদ্ধসহ সবাইকে চলাফেরা করতে হয় এবং কি এ পরিবারগুলোর আবাসিক উন্নয়ন বন্ধ আছে দীর্ঘকাল। অনেকেই নিজ বাসভবন ছেড়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া থাকছেন।এমনকি আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস বা মুমূর্ষ রোগী আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সসের সহযোগিতা নেওয়া সম্ভব নয়।

আরও পড়ুনঃ  সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কর্তৃক বিপুল পরিমানে মাদকদ্রব্য আটক

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী এক নারী বলেন,
পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষার বৃষ্টি নামলে পানিবন্দী হয়ে পড়ি। রাস্তার অভাবে নির্মাণ সামগ্রী আনা-নেওয়া করতে না পাড়ায় বাড়িঘরের নির্মাণ কাজও বন্ধ হয়ে আছে। এখন সব রাস্তা ডুবে গেছে। আমরা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। বাড়ি থেকে মূল সড়কে উঠতে গেলে কোমরপানি ভেঙে যেতে হয়। এলাকার এমন কোনো বাড়ি নেই, যেখানে পানি ওঠেনি। পানির কারণে গৃহবন্দী হয়ে পড়েছি।
ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন জানান, এইখানে ৭০/৮০টি পরিবারের বসবাস। জায়গাটি নিচু হওয়ায় এখানকার বেশির ভাগ ঘরবাড়িতে বৃষ্টি হলেই সমান পানি হয়। ঠিকমতো রান্না করতে না পারায় অনেককে একবেলা খেয়েই দিন পার করতে হচ্ছে।সিটি কর্পোরেশনের সকল নীতি পালন করলেও আমরা নাগরিক সুবিধা পাচ্ছি না । বেশি বর্ষণ হলে অনেকের ঘরে পানি প্রবেশ করে। এলাকায় ড্রেজার দিয়ে নিচু জমি অপরিকল্পিত ভরাট, একটি মাত্র পানি নিষ্কাশনের ড্রেন তাও বন্ধ করে দিয়েছে এলাকার অসাধু চক্রের সদস্যরা, এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা করলে এলাকাবাসী মুক্তি পাবে।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবল হাসপাতালে জনবল সংকট ও আধুনিক যন্ত্রপাতির দাবি