Dhaka ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাস্তা-সাঁকোর পর এবার কালভার্ট সংস্কারে যুবদল নেতা এনায়েত সত্যের সন্ধানে অবিরাম ১১ বছরে দৈনিক আমাদের প্রতিদিন কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রাইভেট ক্লিনিক মালিকদের মতবিনিময় সভা সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক আমতলীতে দোকানে অগ্নিকাণ্ড ২৫ লাখ টাকা ক্ষতির আশংকা কালীগঞ্জে বিপিএল সিজন-৫ এর ফাইনালে এ্যাটাক টাইটান ৫ উইকেটে চ্যাম্পিয়ন শিবচরে যুব দিবস উদ্‌যাপন, প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ ও ঋণ বিতরণ নাগরপুরে হিফজুল কুরআন ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

পূবাইলের করমতলায় ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও যাতায়াতের নির্দিষ্ট পথ না থাকায় চারিদিকে পানি জমে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাজীপুর মহানগরীর ৪২নং ওয়ার্ড করমতলা এলাকার চারিদিকে বৃষ্টির পানি জমে আছে। এদিকে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এই পানির মধ্য দিয়ে শিশু ও বৃদ্ধসহ সবাইকে চলাফেরা করতে হয় এবং কি এ পরিবারগুলোর আবাসিক উন্নয়ন বন্ধ আছে দীর্ঘকাল। অনেকেই নিজ বাসভবন ছেড়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া থাকছেন।এমনকি আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস বা মুমূর্ষ রোগী আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সসের সহযোগিতা নেওয়া সম্ভব নয়।

আরও পড়ুনঃ  কালীগঞ্জে দারুননাজাত মদিনাতুল হক ইনস্টিটিউটে শিক্ষা উৎসব ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী এক নারী বলেন,
পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষার বৃষ্টি নামলে পানিবন্দী হয়ে পড়ি। রাস্তার অভাবে নির্মাণ সামগ্রী আনা-নেওয়া করতে না পাড়ায় বাড়িঘরের নির্মাণ কাজও বন্ধ হয়ে আছে। এখন সব রাস্তা ডুবে গেছে। আমরা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। বাড়ি থেকে মূল সড়কে উঠতে গেলে কোমরপানি ভেঙে যেতে হয়। এলাকার এমন কোনো বাড়ি নেই, যেখানে পানি ওঠেনি। পানির কারণে গৃহবন্দী হয়ে পড়েছি।
ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন জানান, এইখানে ৭০/৮০টি পরিবারের বসবাস। জায়গাটি নিচু হওয়ায় এখানকার বেশির ভাগ ঘরবাড়িতে বৃষ্টি হলেই সমান পানি হয়। ঠিকমতো রান্না করতে না পারায় অনেককে একবেলা খেয়েই দিন পার করতে হচ্ছে।সিটি কর্পোরেশনের সকল নীতি পালন করলেও আমরা নাগরিক সুবিধা পাচ্ছি না । বেশি বর্ষণ হলে অনেকের ঘরে পানি প্রবেশ করে। এলাকায় ড্রেজার দিয়ে নিচু জমি অপরিকল্পিত ভরাট, একটি মাত্র পানি নিষ্কাশনের ড্রেন তাও বন্ধ করে দিয়েছে এলাকার অসাধু চক্রের সদস্যরা, এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা করলে এলাকাবাসী মুক্তি পাবে।

আরও পড়ুনঃ  সালথায় বাঁশের সাঁকোয় স্বস্তি, কৃষক-শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে যুবদল নেতা এনায়েতের উদ্যোগ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রাস্তা-সাঁকোর পর এবার কালভার্ট সংস্কারে যুবদল নেতা এনায়েত

পূবাইলের করমতলায় ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী

আপডেটের সময়: ০৬:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও যাতায়াতের নির্দিষ্ট পথ না থাকায় চারিদিকে পানি জমে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাজীপুর মহানগরীর ৪২নং ওয়ার্ড করমতলা এলাকার চারিদিকে বৃষ্টির পানি জমে আছে। এদিকে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এই পানির মধ্য দিয়ে শিশু ও বৃদ্ধসহ সবাইকে চলাফেরা করতে হয় এবং কি এ পরিবারগুলোর আবাসিক উন্নয়ন বন্ধ আছে দীর্ঘকাল। অনেকেই নিজ বাসভবন ছেড়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া থাকছেন।এমনকি আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস বা মুমূর্ষ রোগী আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সসের সহযোগিতা নেওয়া সম্ভব নয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী এক নারী বলেন,
পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষার বৃষ্টি নামলে পানিবন্দী হয়ে পড়ি। রাস্তার অভাবে নির্মাণ সামগ্রী আনা-নেওয়া করতে না পাড়ায় বাড়িঘরের নির্মাণ কাজও বন্ধ হয়ে আছে। এখন সব রাস্তা ডুবে গেছে। আমরা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। বাড়ি থেকে মূল সড়কে উঠতে গেলে কোমরপানি ভেঙে যেতে হয়। এলাকার এমন কোনো বাড়ি নেই, যেখানে পানি ওঠেনি। পানির কারণে গৃহবন্দী হয়ে পড়েছি।
ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন জানান, এইখানে ৭০/৮০টি পরিবারের বসবাস। জায়গাটি নিচু হওয়ায় এখানকার বেশির ভাগ ঘরবাড়িতে বৃষ্টি হলেই সমান পানি হয়। ঠিকমতো রান্না করতে না পারায় অনেককে একবেলা খেয়েই দিন পার করতে হচ্ছে।সিটি কর্পোরেশনের সকল নীতি পালন করলেও আমরা নাগরিক সুবিধা পাচ্ছি না । বেশি বর্ষণ হলে অনেকের ঘরে পানি প্রবেশ করে। এলাকায় ড্রেজার দিয়ে নিচু জমি অপরিকল্পিত ভরাট, একটি মাত্র পানি নিষ্কাশনের ড্রেন তাও বন্ধ করে দিয়েছে এলাকার অসাধু চক্রের সদস্যরা, এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা করলে এলাকাবাসী মুক্তি পাবে।

আরও পড়ুনঃ  সালথায় বাঁশের সাঁকোয় স্বস্তি, কৃষক-শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে যুবদল নেতা এনায়েতের উদ্যোগ