Dhaka ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
লগি-বৈঠার সহিংসতার বিচার চেয়ে বাহুবলে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল নগরকান্দায় ৭নং রামনগর ইউনিয়নের যুবদলের বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ টাঙ্গাইলে যুব বিভাগের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত শিবচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন পরিবেশ রক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে শিবচরে সাউথ বেঙ্গল ইয়ুথ ক্লাবের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানালেন পূবাইলের ইমাম হোসেন ইমরান টাঙ্গাইলে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা দিল বাংলাদেশ লইয়ারস কাউন্সিল জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিতে নগরের শিশুরা, সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান পূবাইলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল বরই ফুলে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন, মাদারীপুরের শিবচরে বাম্পার ফলনের হাতছানি

টাঙ্গাইলে যুব বিভাগের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৮ অক্টোবর(বুধবার ) জেলা যুব বিভাগের সভাপতি মো. বোরহানুল ইসলামের সভাপতিত্বে টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া বিভাগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমির আহছান হাবিব মাসুদ , আন্তর্জাতিক ইসলামী ছাত্র ও যুব ফেডারেশনের মহাসচিব ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম,শহর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
সমাবেশে প্রধান অতিথি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আমরা ১৯৯১ সালে বিএনপিকে নিঃস্বার্থ সমর্থন দিয়েছিলাম বলে বিএনপি সরকার গঠন করতে পেরেছিল। পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আন্দোলন করে আদায় করেছিলো জামায়াতে ইসলামী। তখন এই বিএনপি ক্ষমতায় ছিলো। আবার ২০০১ সালে ৪ দলীয় জোট করে নির্বাচনে জয় লাভ করে ক্ষমতার অংশ হয় জামায়াত।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে পল্টনে আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দৃশ্য স্মরণ করলে এখনো শিউরে উঠে মানুষের শরীর, বাকরুদ্ধ হয় বিবেক। পৈশাচিক ও অমানবিকভাবে মানুষ হত্যার দৃশ্য এখনো কাঁদায় সকলকে। বিশ্বমানবতা শতাব্দীর পর শতাব্দী খুনিদের প্রতি ঘৃণা ও অভিশাপ দিতে থাকবে। ২৮ অক্টোবর আওয়ামী জঙ্গিপনার এক রক্তাক্ত দলিল হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। পাশাপাশি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রত্যাহার করা মামলাগুলো পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, জেলা ,উপজেলা ,ইউনিয়ন,ওয়ার্ড এবং পাড়া মহল্লাসহ সকল স্তরে যুব সংগঠন মজবুত ও শক্তিশালী করতে হবে। যুগে যুগে যুবকরা যেভাবে সকল অন্যায়ের মোকাবেলায় এগিয়ে ছিল ভবিষ্যতেও যুবকরা এই দেশ বিনির্মাণে দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গঠনে ভূমিকা পালন করবে । সকল পর্যায়ের যুবকদেরকে মাদকাসক্ত থেকে মুক্ত এবং বেকারত্ব দূরীকরণে আমাদেরকে ভূমিকা পালন করতে হবে। সর্বোপরি ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আশার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি এস এম সুরুজ্জামান।

আরও পড়ুনঃ  বরই ফুলে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন, মাদারীপুরের শিবচরে বাম্পার ফলনের হাতছানি
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

লগি-বৈঠার সহিংসতার বিচার চেয়ে বাহুবলে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

টাঙ্গাইলে যুব বিভাগের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেটের সময়: ১১:০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৮ অক্টোবর(বুধবার ) জেলা যুব বিভাগের সভাপতি মো. বোরহানুল ইসলামের সভাপতিত্বে টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া বিভাগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমির আহছান হাবিব মাসুদ , আন্তর্জাতিক ইসলামী ছাত্র ও যুব ফেডারেশনের মহাসচিব ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম,শহর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
সমাবেশে প্রধান অতিথি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আমরা ১৯৯১ সালে বিএনপিকে নিঃস্বার্থ সমর্থন দিয়েছিলাম বলে বিএনপি সরকার গঠন করতে পেরেছিল। পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আন্দোলন করে আদায় করেছিলো জামায়াতে ইসলামী। তখন এই বিএনপি ক্ষমতায় ছিলো। আবার ২০০১ সালে ৪ দলীয় জোট করে নির্বাচনে জয় লাভ করে ক্ষমতার অংশ হয় জামায়াত।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে পল্টনে আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দৃশ্য স্মরণ করলে এখনো শিউরে উঠে মানুষের শরীর, বাকরুদ্ধ হয় বিবেক। পৈশাচিক ও অমানবিকভাবে মানুষ হত্যার দৃশ্য এখনো কাঁদায় সকলকে। বিশ্বমানবতা শতাব্দীর পর শতাব্দী খুনিদের প্রতি ঘৃণা ও অভিশাপ দিতে থাকবে। ২৮ অক্টোবর আওয়ামী জঙ্গিপনার এক রক্তাক্ত দলিল হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। পাশাপাশি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রত্যাহার করা মামলাগুলো পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, জেলা ,উপজেলা ,ইউনিয়ন,ওয়ার্ড এবং পাড়া মহল্লাসহ সকল স্তরে যুব সংগঠন মজবুত ও শক্তিশালী করতে হবে। যুগে যুগে যুবকরা যেভাবে সকল অন্যায়ের মোকাবেলায় এগিয়ে ছিল ভবিষ্যতেও যুবকরা এই দেশ বিনির্মাণে দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গঠনে ভূমিকা পালন করবে । সকল পর্যায়ের যুবকদেরকে মাদকাসক্ত থেকে মুক্ত এবং বেকারত্ব দূরীকরণে আমাদেরকে ভূমিকা পালন করতে হবে। সর্বোপরি ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আশার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি এস এম সুরুজ্জামান।

আরও পড়ুনঃ  বরই ফুলে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন, মাদারীপুরের শিবচরে বাম্পার ফলনের হাতছানি