Dhaka ০৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কর্তৃক কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ জিরাসহ ট্রাক আটক অস্তিত্ব সংকটে সিংগাহারা নদী: খনন শুরু না হওয়ায় বাড়ছে ক্ষোভ বাহুবলে শিক্ষিকার গলা থেকে স্বর্ণালংকা ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা কাতারের সাবেক আমীরের ইন্তেকালে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করলেন জাকের পার্টির মহাসচিব কালীগঞ্জে পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে চুরি-ছিনতাই বেড়ে উদ্বেগ, নিরাপত্তা জোরদারের দাবি গাজীপুরে ডিবির অভিযানে চোলাই মদ তৈরির কারখানার সন্ধান, ১৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার আলামত জব্দ বরিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী, একঝলক দেখতে মহাসড়কে নেতা-কর্মীদের ভিড় পবিত্র ৭ সফর উপলক্ষে আলমডাঙ্গায় জাকের পার্টির মিশন ও দোয়া মাহফিল গাজীপুরের কন্যা যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক ও স্কটল্যান্ডের ফোর্থ ভ্যালি হাসপাতালে যোগদান করছেন  

বাহুবলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বৃদ্ধি: আতঙ্কে এলাকাবাসী

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ততম ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এবং মিরপুর-শ্রীমঙ্গল সড়কে একের পর এক দুর্ঘটনায় হতাহত বাড়তে থাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যার বেশিরভাগ ঘটনায় আহত হচ্ছেন তরুণ চালক ও আরোহীরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য, হেলমেট ব্যবহার না করা এবং অদক্ষ চালকের সংখ্যা বৃদ্ধি—এসব কারণেই দুর্ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে ঈদ বা ছুটির সময় এবং সন্ধ্যার পর মোটরসাইকেলের ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল আরও বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোররাও মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়, যা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাহুবল অংশে ভারী যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় মোটরসাইকেল চালকদের সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অন্যদিকে মিরপুর-শ্রীমঙ্গল সড়কের কিছু অংশ সরু, বাঁকপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রায়ই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া রাস্তার কিছু স্থানে ভাঙাচোরা অবস্থা ও পর্যাপ্ত সড়কবাতির অভাবও দুর্ঘটনা বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, সাম্প্রতিক কয়েকটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের মোটরসাইকেল ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করছেন। স্থানীয়রা দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নিয়মিত ট্রাফিক তদারকি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড এবং আইন প্রয়োগ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
সচেতন মহলের মতে, দুর্ঘটনা রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি চালকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করা, গতিসীমা মেনে চলা এবং ট্রাফিক আইন অনুসরণ ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুনঃ  শিবচরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কর্তৃক কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ জিরাসহ ট্রাক আটক

বাহুবলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বৃদ্ধি: আতঙ্কে এলাকাবাসী

আপডেটের সময়: ০৮:০০:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ততম ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এবং মিরপুর-শ্রীমঙ্গল সড়কে একের পর এক দুর্ঘটনায় হতাহত বাড়তে থাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যার বেশিরভাগ ঘটনায় আহত হচ্ছেন তরুণ চালক ও আরোহীরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য, হেলমেট ব্যবহার না করা এবং অদক্ষ চালকের সংখ্যা বৃদ্ধি—এসব কারণেই দুর্ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে ঈদ বা ছুটির সময় এবং সন্ধ্যার পর মোটরসাইকেলের ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল আরও বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোররাও মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়, যা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাহুবল অংশে ভারী যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় মোটরসাইকেল চালকদের সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অন্যদিকে মিরপুর-শ্রীমঙ্গল সড়কের কিছু অংশ সরু, বাঁকপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রায়ই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া রাস্তার কিছু স্থানে ভাঙাচোরা অবস্থা ও পর্যাপ্ত সড়কবাতির অভাবও দুর্ঘটনা বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, সাম্প্রতিক কয়েকটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের মোটরসাইকেল ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করছেন। স্থানীয়রা দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নিয়মিত ট্রাফিক তদারকি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড এবং আইন প্রয়োগ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
সচেতন মহলের মতে, দুর্ঘটনা রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি চালকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করা, গতিসীমা মেনে চলা এবং ট্রাফিক আইন অনুসরণ ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুনঃ  কালীগঞ্জে পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার