
পুরান ঢাকার আরমানিটোলা শাখায় পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী (পিএমকে) নামের একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ওষুধ ও চশমা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) আরমানিটোলা শাখা অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচিতে চক্ষু, মেডিসিন, গাইনি, চর্ম ও যৌনরোগ, শিশু এবং সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা প্রায় ৫ শতাধিক অতিদরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।
চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন— ডা. মনোজ সিনহা, ডা. মৌসুমী কবির, ডা. মো. রায়হানুল হক, ডা. মো. বাপ্পি ইসলাম, ডা. মো. মেরাজ হোসেন, ডা. নাজমুল ইসলাম, ডা. রাসেল রানা এবং ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর উপ-পরিচালক মো. সজিবুর রহমান, প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. শহিদুল ইসলাম, জোনাল আইটি অফিসার মো. আমিরুল ইসলাম, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. হোসেন আলী এবং আরমানিটোলা শাখার ব্যবস্থাপক নারায়ণ চন্দ্রসহ সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানে উপ-পরিচালক মো. সজিবুর রহমান ও প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী (পিএমকে) দেশের বিভিন্ন শাখায় নিয়মিতভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আরমানিটোলা শাখায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ, প্রেসক্রিপশন, ওষুধ, চক্ষু রোগীদের জন্য পাওয়ারের চশমা এবং চোখের ড্রপ বিতরণ করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্ষুদ্রঋণ, কৃষি ও সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আওতায় মা ও শিশু স্বাস্থ্য সচেতনতা, গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা, চক্ষু চিকিৎসা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।
শ্যামলী জোনের জোনাল আইটি অফিসার মো. আমিরুল ইসলাম এবং নয়াবাজার এরিয়ার ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. হোসেন আলী বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পিএমকে নিরলসভাবে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বিনামূল্যে চিকিৎসা, ওষুধ ও চশমা পেয়ে উপকারভোগীরা পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর প্রধান নির্বাহী কামরুন্নাহার, উপ-প্রধান নির্বাহী দেওয়ান ফয়সাল এবং পিএমকে হাসপাতালের প্রধান উপদেষ্টা ও হেড অব হেলথ ডা. কাজী সুদীপ্তা কবির-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
নিজস্ব প্রতিবেদক : 


















