Dhaka ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বরগুনায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি নাগরপুরে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি লাভলু টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ১ শিবচরে তীব্র লোডশেডিং এ চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বাহুবলে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের টাঙ্গাইলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ডিমলায় শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজের নতুন একাডেমিক ভবন ও বাইশপুকুর বাঁধের পাকা সড়কের উদ্বোধন শিবচরে কাঁচা সবজিসহ নিত্য পণ্যের চড়া দামে দিশেহারা নিম্ন আয়ের মানুষ সালথায় বল্লভদী ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মনোনয়ন ফরম বিতরণ রক্তের সম্পর্কের এমন নৃশংস পরিণতি কল্পনাও করা যায় না: নিজ মেয়েকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে পিতা গ্রেপ্তার

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকম্মিক পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকম্মিক পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। যারা হাসপাতালে চাকুরী করবেন তাদের কোন অজুহাত গ্রহনযোগ্য হবে না। কোন অনিয়ম পাওয়া গেলে সাথে সাথে বিভাগীয় ব্যবস্থা।

শনিবার (৭ মার্চ) সকাল দশটা গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিদিনের মতোই চলছিল সকল ধরনের কার্যক্রম। হঠাৎ করেই সাদা রঙের একটি গাড়ি প্রবেশ করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সাথে ছিল পুলিশ পটোকল। সাদা ঐ গাড়িতে ছিলেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ৫০ সজ্জা বিশিষ্ট হাসপাতালে ঢুকেই কর্তব্যরতদের কাছে জানতে চান স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিস কোনটা। তারা সরাসরি অফিস দেখিয়ে দিলে মন্ত্রী সেখানে গিয়ে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশিদকে অনুপস্থিত পান।

এ সময় অন্যদের কাছ থেকে তার অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তারা জানান তার ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না। পরে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিধ পরিচয়ে কাজী মো. নাজমুল ইসলাম নামে একজন জানান তিনি ছুটিতে আছেন। পরে তিনি ছুটির আবেদন দেখতে চাইলে স্ক্যান করা একটি কপি দেখানো হয়, তবে তাতে ছিল না সিভিল সার্জনের অনুমোদন। পরে তিনি ডাক্তারদের হাজিরা খাতা নিয়ে সবার সাথে কনফারেন্স রুমে বসেন। এ সময় তিনি চারজন ডাক্তারকে অনুপস্থিত পান। অনুপস্থিত ডাক্তারগণ হলেন, গাইনী কনসালটেন্ট ডা. সানজিদা পারবীর, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ইসিতা দাস, জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আদনান ইসলাম ও ডা. জিয়া উদ্দিন। কিন্তু তাদের ছুটির বিষয়ে কোন আবেদনও পাওয়া যায়নি। কিন্তু এর মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আগমনের খবর শুনে তড়িঘড়ি করে কয়েকজন সাড়ে দশটার দিকে ছুটে আসেন হাসপাতালে। এ সময় মন্ত্রী তাদের দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখান। পরে তাদের কেউ কেউ মন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আরও পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ১

এছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশিদ হাসপাতালে মন্ত্রী এসে পরিদর্শন করছেন এমন সংবাদ পেয়ে দ্রুত ছুটে আসেন হাসপাতালে। মন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই কর্মকর্তার কাছে হাসপাতালে অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে। তিনি জানান তিনি ছুটিতে আছেন এবং অসুস্থ। তবে মন্ত্রী ছুটিতে থাকার অনুমোদিত আবেদন দেখতে চাইলে তিনি শুধু আবেদনের কপি দেখান কিন্তু তাতে ছিল না জেলা সিভিল সার্জনের অনুমোদন। এছাড়া তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থতার কথা বললেও আবেদনের লেখা ছিল পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি ছুটিতে আছেন। পরে ডাঃ রেজওয়ানা রশিদ বিশেষ ক্ষমা প্রার্থনা করেন। জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশিদ প্রায়ই বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সভা ও পরিদর্শনের কথা বলে অনুপস্থিত থাকেন। বিশেষ কেউ জানতে চাইলে ছুটিতে আছেন বলে এমনই সিভিল সার্জনের অনুমোদন ব্যতিত একটি ছুটির আবেদন প্রদর্শন করেন। যা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিধ কাজী মো. নাজমুল ইসলাম এর নিকট সব সময় জমা রাখেন।

আরও পড়ুনঃ  বরগুনায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি

তারপর মন্ত্রী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি ওয়ার্ডগুলোর ওয়াশরুমে কোন হ্যান্ডওয়াশ কিংবা সাবান না পাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন। বাজেট থাকা সত্তে¡ও কেন ওয়াশরুমগুলোতে হ্যান্ড ওয়াস কিংবা সাবান নেই এ ব্যাপারে তিনি হাসপাতালে কর্তব্যরতদের কাছে জানতে চান পরে তারা ভুল স্বীকার করেন।

এছাড়াও মন্ত্রী হাসপাতালে বহির বিভাগে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং রোগীদের নানা অভিযোগ শুনেন এবং তা নোট করে নেন। এ সময় একজন অভিযোগ করে বলেন হাসপাতালে ডাক্তার দেরিতে আসেন। এবং রোগীদের লাইনে রেখে চিকিৎসক খোশগল্পে মেতে থাকেন। তাৎক্ষনিক মন্ত্রী বলেন ডাক্তার রোগী না দেখে অহেতুক সময় কাটালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  রক্তের সম্পর্কের এমন নৃশংস পরিণতি কল্পনাও করা যায় না: নিজ মেয়েকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে পিতা গ্রেপ্তার

পাশাপাশি হাসপাতালে কর্মরত কর্মচারীদেরও নানা দাবি দাওয়া শোনেন এবং তা নোট করে নেন। পরে মন্ত্রী হাসপাতালে ফার্মেসিতে পরিদর্শন করেন। সর্বশেষ সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেগুলো নোট করে নিয়ে যান এবং এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন সাংবাদিকদের।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য খাতকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সারা বাংলাদেশের এক সাথে সকল সরকারী হাসপাতালগুলো জানিয়ে পরিদর্শন করা হবে না। হুটহাট যেখানে সেখানে জটিকা সফর করা হবে। সময় মত হাসপাতালে আসতে হবে। তাদের কোন অজুহাত গ্রহনযোগ্য হবে না। ঢাকায় থেকে এসে মফস্বলের হাসপাতালে চাকুরী করবে এমন সুযোগ নেই। প্রয়োজনে কর্মস্থলে থেকে চাকুরী করতে হবে। এতে যদি কোন অনিয়ম পাওয়া যায় তাহলে সাথে সাথে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের তুলনায় শয্যাবিশিষ্ট অপ্রতুল। ভবিষ্যতে শয্যাবিশিষ্ট বাড়ানো হবে।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য মন্ত্রী হলেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল গাজীপুর জেলার পার্শ্ববর্তী নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাবো) আসনের সংসদ সদস্য।

Tag :

বরগুনায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকম্মিক পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

আপডেটের সময়: ১১:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকম্মিক পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। যারা হাসপাতালে চাকুরী করবেন তাদের কোন অজুহাত গ্রহনযোগ্য হবে না। কোন অনিয়ম পাওয়া গেলে সাথে সাথে বিভাগীয় ব্যবস্থা।

শনিবার (৭ মার্চ) সকাল দশটা গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিদিনের মতোই চলছিল সকল ধরনের কার্যক্রম। হঠাৎ করেই সাদা রঙের একটি গাড়ি প্রবেশ করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সাথে ছিল পুলিশ পটোকল। সাদা ঐ গাড়িতে ছিলেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ৫০ সজ্জা বিশিষ্ট হাসপাতালে ঢুকেই কর্তব্যরতদের কাছে জানতে চান স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিস কোনটা। তারা সরাসরি অফিস দেখিয়ে দিলে মন্ত্রী সেখানে গিয়ে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশিদকে অনুপস্থিত পান।

এ সময় অন্যদের কাছ থেকে তার অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তারা জানান তার ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না। পরে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিধ পরিচয়ে কাজী মো. নাজমুল ইসলাম নামে একজন জানান তিনি ছুটিতে আছেন। পরে তিনি ছুটির আবেদন দেখতে চাইলে স্ক্যান করা একটি কপি দেখানো হয়, তবে তাতে ছিল না সিভিল সার্জনের অনুমোদন। পরে তিনি ডাক্তারদের হাজিরা খাতা নিয়ে সবার সাথে কনফারেন্স রুমে বসেন। এ সময় তিনি চারজন ডাক্তারকে অনুপস্থিত পান। অনুপস্থিত ডাক্তারগণ হলেন, গাইনী কনসালটেন্ট ডা. সানজিদা পারবীর, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ইসিতা দাস, জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আদনান ইসলাম ও ডা. জিয়া উদ্দিন। কিন্তু তাদের ছুটির বিষয়ে কোন আবেদনও পাওয়া যায়নি। কিন্তু এর মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আগমনের খবর শুনে তড়িঘড়ি করে কয়েকজন সাড়ে দশটার দিকে ছুটে আসেন হাসপাতালে। এ সময় মন্ত্রী তাদের দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখান। পরে তাদের কেউ কেউ মন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আরও পড়ুনঃ  ডিমলায় শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজের নতুন একাডেমিক ভবন ও বাইশপুকুর বাঁধের পাকা সড়কের উদ্বোধন

এছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশিদ হাসপাতালে মন্ত্রী এসে পরিদর্শন করছেন এমন সংবাদ পেয়ে দ্রুত ছুটে আসেন হাসপাতালে। মন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই কর্মকর্তার কাছে হাসপাতালে অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে। তিনি জানান তিনি ছুটিতে আছেন এবং অসুস্থ। তবে মন্ত্রী ছুটিতে থাকার অনুমোদিত আবেদন দেখতে চাইলে তিনি শুধু আবেদনের কপি দেখান কিন্তু তাতে ছিল না জেলা সিভিল সার্জনের অনুমোদন। এছাড়া তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থতার কথা বললেও আবেদনের লেখা ছিল পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি ছুটিতে আছেন। পরে ডাঃ রেজওয়ানা রশিদ বিশেষ ক্ষমা প্রার্থনা করেন। জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশিদ প্রায়ই বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সভা ও পরিদর্শনের কথা বলে অনুপস্থিত থাকেন। বিশেষ কেউ জানতে চাইলে ছুটিতে আছেন বলে এমনই সিভিল সার্জনের অনুমোদন ব্যতিত একটি ছুটির আবেদন প্রদর্শন করেন। যা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিধ কাজী মো. নাজমুল ইসলাম এর নিকট সব সময় জমা রাখেন।

আরও পড়ুনঃ  সালথায় বল্লভদী ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মনোনয়ন ফরম বিতরণ

তারপর মন্ত্রী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি ওয়ার্ডগুলোর ওয়াশরুমে কোন হ্যান্ডওয়াশ কিংবা সাবান না পাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন। বাজেট থাকা সত্তে¡ও কেন ওয়াশরুমগুলোতে হ্যান্ড ওয়াস কিংবা সাবান নেই এ ব্যাপারে তিনি হাসপাতালে কর্তব্যরতদের কাছে জানতে চান পরে তারা ভুল স্বীকার করেন।

এছাড়াও মন্ত্রী হাসপাতালে বহির বিভাগে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং রোগীদের নানা অভিযোগ শুনেন এবং তা নোট করে নেন। এ সময় একজন অভিযোগ করে বলেন হাসপাতালে ডাক্তার দেরিতে আসেন। এবং রোগীদের লাইনে রেখে চিকিৎসক খোশগল্পে মেতে থাকেন। তাৎক্ষনিক মন্ত্রী বলেন ডাক্তার রোগী না দেখে অহেতুক সময় কাটালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  শিবচরের বাবলাতলা বাজারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পাশাপাশি হাসপাতালে কর্মরত কর্মচারীদেরও নানা দাবি দাওয়া শোনেন এবং তা নোট করে নেন। পরে মন্ত্রী হাসপাতালে ফার্মেসিতে পরিদর্শন করেন। সর্বশেষ সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেগুলো নোট করে নিয়ে যান এবং এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন সাংবাদিকদের।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য খাতকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সারা বাংলাদেশের এক সাথে সকল সরকারী হাসপাতালগুলো জানিয়ে পরিদর্শন করা হবে না। হুটহাট যেখানে সেখানে জটিকা সফর করা হবে। সময় মত হাসপাতালে আসতে হবে। তাদের কোন অজুহাত গ্রহনযোগ্য হবে না। ঢাকায় থেকে এসে মফস্বলের হাসপাতালে চাকুরী করবে এমন সুযোগ নেই। প্রয়োজনে কর্মস্থলে থেকে চাকুরী করতে হবে। এতে যদি কোন অনিয়ম পাওয়া যায় তাহলে সাথে সাথে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের তুলনায় শয্যাবিশিষ্ট অপ্রতুল। ভবিষ্যতে শয্যাবিশিষ্ট বাড়ানো হবে।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য মন্ত্রী হলেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল গাজীপুর জেলার পার্শ্ববর্তী নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাবো) আসনের সংসদ সদস্য।