
মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নির্দেশনা— “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক”—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে মাদকদ্রব্যসহ যেকোনো ধরনের চোরাচালানী মালামাল বাংলাদেশে প্রবেশ রোধে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ লক্ষ্যে ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা তৎপরতা ও সীমান্ত টহল জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ৩০ ডিসেম্বর বিকাল আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) এর একটি বিশেষ টহলদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সিলেট থেকে ঢাকাগামী পাথর বোঝাই একটি ট্রাক বিজিবি টহলদলকে দেখে সন্দেহজনকভাবে পথ পরিবর্তন করে পালানোর চেষ্টা করে।
বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাকটির পিছু ধাওয়া করে সীমান্ত পিলার ২০০১/এমপি হতে আনুমানিক ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর এলাকায় ট্রাকটি আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে ট্রাকটি তল্লাশি করে পাথরের নিচে অভিনব কৌশলে লুকায়িত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে—
ভারতীয় উন্নতমানের শাড়ি: ৩৬৯ পিস
উন্নতমানের লেহেঙ্গা: ৮৩ পিস
জিরা: ৫৭০ কেজি
কসমেটিকস সামগ্রী: ১৭,৯৫২ পিস
পাথর বোঝাই ১টি ট্রাক
উদ্ধারকৃত চোরাচালানী মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ১ কোটি ৮৯ লক্ষ ০৬ হাজার ৮ শত টাকা। আটককৃত মালামালসমূহ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আখাউড়া কাস্টমসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি চোরাচালানসহ সকল প্রকার অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
চাইলে আমি এটিকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি, পত্রিকার রিপোর্ট, বা ফেসবুক/অনলাইন নিউজ পোর্টাল ফরম্যাট অনুযায়ীও আলাদা করে সাজিয়ে দিতে পারি।
মোঃ শামীম উসমান গনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: 








