(গাজীপুর) প্রতিনিধি :
গাজীপুরের কালীগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়েমোটরসাইকেল ও ইয়াবাসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।এদিকে মাদকসহ গ্রেফতারকৃত আসামীদের ছেড়ে দিতে বিএনপি নেতা ও কথিত সাংবাদিকের জোর তদবির। এ নিয়ে এলাকায় হইচই।পরে তিন মাদকসেবীকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অর্থদণ্ড সহ বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। আর শীর্ষ দুই সম্রাটের বিরুদ্ধে গাজীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ভূঞা বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।গ্রেফতারকৃতদের রোববার সকালে গাজীপুর আদালাতে প্রেরণ করা হয়।পরে আদালতের বিচারক তাদেরকে হাজতে প্রেরণ করেন।গ্রেফতারকৃতরা হলো খৈকরা এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে সাব্বির আহমেদ ও আব্দুল আজিজের ছেলে হেমায়েত মোল্লা, মাঝুখান এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. রাব্বি, কলাপাটুয়া এলাকার জসিমের ছেলে আসিফ ও ফুলদী এলাকার ইসমাইলের ছেলে মোতালিব।এ সময় তাদের কাছ থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম, ১৩২ পিস ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।শনিবার দিনব্যাপী উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ফুলদী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুলদী বাজারের মামুন স্টোরের সামনে থেকে সাব্বির আহমেদ ও হেমায়েত মোল্লাকে ১২১ পিস ইয়াবা ও মাদক সরবরাহে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।এ ছাড়াও রাব্বি, আসিফ ও মো. মোতালিবের নিকট মাদক সেবনের সরঞ্জাম ও ১১ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার তাদের আলাদাভাবে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রাব্বিকে ১৫ দিন, আসিফকে ২ মাস ও মোতালিবকে ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাদক কারবারীদের ছেড়ে দিতে বিএনপির এক নেতা ও কথিত সাংবাদিকদের সভাপতি পরিচয়ে জোর তদবির করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। কারবারিদের তদবিরের কান্ডে এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।তবে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সেই তদবিরে কান না দিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করায় তাদেরকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার বিভিন্ন সচেতন মহলসহ সাধারণ মানুষ।