যশোরের বাঘারপাড়ায় ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে হাফেজ মো. আব্দুর রহিম (৪৫) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিগত ১২ অক্টোবর রাতে উপজেলার দৌলতপুর দক্ষিণপাড়া নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষে এ ঘটনা ঘটেছে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫'অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) গ্রেপ্তার শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী। ঘটনার রাতে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় সে ঘুমিয়ে পড়ে। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুর রহিম ছুটি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে শিশুটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন করেন। এ সময় পাশে ঘুমিয়ে থাকা আরেক শিক্ষার্থীর ঘুম ভেঙে যায়। সে আলো জ্বালিয়ে ঘটনাটি দেখতে পায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে বিষয়টি মাদ্রাসার অন্য এক শিক্ষককে জানানো হলে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে পাশের একটি মসজিদে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে নারিকেল বাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তাঁকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যান।ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা মো. বিলায়েত হোসেন বাদী হয়ে বাঘারপাড়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে বাঘারপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জানান ঘটনাটির তদন্ত চলছে অভিযোগ প্রমানিত হলে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।