আটক ব্যক্তিরা হলেন—সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মজলিসপুর এলাকার সঞ্জীব দাসের ছেলে সজীব দাস সঞ্জয় এবং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জলিলপুর এলাকার মো. আব্দুল হান্নানের ছেলে মো. আবু তাহের। তারা দুজনই সিলেট রেলস্টেশনে আরএনবিতে কর্মরত ছিলেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্টেশন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় অনলাইনে অবৈধ উপায়ে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করে তা ডাউনলোডের মাধ্যমে চড়া দামে যাত্রীদের কাছে বিক্রির অভিযোগে ওই দুই আরএনবি সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ রেলের টিকিট ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল আলম। অভিযানে রেলওয়ে থানা পুলিশ, দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
পরে জব্দ করা টিকিট ও মোবাইল ফোনসহ আটক দুজনকে আইনগত ব্যবস্থা ও তদন্তের জন্য রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিবুল আলম বলেন, রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সিলেটে রেলের টিকিট নিয়ে অনিয়ম ও কালোবাজারি উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।