যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার সীমান্তবর্তী সালিমাবাদ ও চরসালিমাবাদ এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সামাজিক ও মানবিক সংগঠন আলেম সমাজ দ্বারা পরিচালিত ইত্তিহাদুল উলামা ওয়াল হুফফাজ, নাগরপুর।
শনিবার (১১'জুলাই ২০২৬ খ্রি.) সকালে চরসালিমাবাদ বাজারে আয়োজিত ‘সহায়তা প্রদান কর্মসূচি-২০২৬’-এর আওতায় নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় শতাধিক পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া একটি জামে মসজিদ পুনঃস্থাপনের জন্যও সংগঠনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি মুফতী মো. জহিরুল ইসলাম ফয়েজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি মাওলানা আল হেলাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি মুফতী শহিদুল ইসলাম সিরাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসান, আলহাজ মো. মিরাজুল ইসলাম, হুমায়ুন দেওয়ান, মো. আবাবিল, অধ্যক্ষ (অব.) মো. রুহুল আমিন,
সাংবাদিক আমজাদ হোসেন রতন,সাংবাদিক ডা.এম.এ.মান্নান,
হাফেজ মো. শরিফুল ইসলামসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নদীভাঙন শুধু মানুষের ঘরবাড়িই কেড়ে নেয় না, বরং তাদের জীবিকা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়। তাই মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমাজের প্রতিটি সক্ষম মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। তারা সরকার, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সমাজের বিত্তবানদের নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আরও আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সহায়তা গ্রহণকারী আব্দুল মতিন বলেন, “নদীভাঙনে আমার বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটছে। এই নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী আমাদের জন্য অনেক বড় সহায়তা। আল্লাহ ইত্তিহাদুল উলামা ওয়াল হুফফাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, মানবিক সংকটে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাদের চলমান কার্যক্রমের অন্যতম অংশ। ভবিষ্যতেও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ যেকোনো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রায়হান মাহামুদ।
অফিস : কুড়িল বিশ্বরোড) বারিধারা, ঢাকা-১২২৯।
ই পেপার