
বরগুনায় আদালত কর্তৃক সড়ক ও মহাসড়কে টোল আদায় বন্ধের শুনানী শেষে গতকাল সোমবার (২১ এপ্রিল) বরগুনার দ্রুত বিচার আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এস এম শরিয়ত উল্লাহ্ সড়কে টোল আদায় বন্ধের আদেশ দেন।
বরগুনা জেলার বেতাগী পৌরসভা এলাকার সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের কাছ থেকে টোল আদায় নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে একটি মামলা হয়। জানা গিয়েছে বাংলা ১৪৩২ সনের জন্য পৌর প্রশাসকের নিকট থেকে বেতাগী টেম্পোস্ট্যান্ড জনৈক মো. খোকন হাওলাদার ইজারা নেন। এরপর সেখানে জোরপূর্বক অন্য কয়েকজন ব্যক্তি পৌর সড়কে টোল আদায় করছেন দাবি করেন। আর এজন্য ইজারাদার মো. খোকন হাওলাদার বরগুনার দ্রুত বিচার আদালতে একটি মামলা করেন।
গতকাল আদালত চলাকালে শুনানিতে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, সম্পূর্ণ অবৈধভাবে টোল আদায়ের নামে বরগুনায় সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। বিষয়টি আদালত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেন এবং কোন আইন বা কর্তৃত্ববলে পৌর প্রশাসক (উপজেলা নির্বাহী অফিসার) কর্তৃক এরূপ টোল (চাঁদা) আদায়ের জন্য টেম্পোস্ট্যান্ড ইজারা দেয়া হয়েছে তা জানাতে নির্দেশ দেয়া হয়।
আদালত আদেশে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন সময় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদেও দেখা গেছে যে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের পরও বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় পৌরসভার টোলের নামে স্ট্যান্ড বা টার্মিনাল ছাড়াও সড়ক ও মহাসড়ক থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।
মামলার কাগজপত্র পর্যালোচনায়ও বেতাগী পৌরসভার নামে অবৈধ টোল (চাঁদা) আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়। হাইকোর্ট বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনার পরও তা লঙ্ঘন করে সড়ক থেকে টোল আদায়ের ইজারা দেয়ায় কেন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা হবে না, সে মর্মে কারণ দর্শানোর জন্য প্রশাসক, বেতাগী পৌরসভাকে নির্দেশ প্রদান করা হয়।
একইসঙ্গে বরগুনা জেলাধীন আর কোনো সড়ক ও মহাসড়ক থেকে এ ধরনের টোল (চাঁদা) আদায় করা হয় কি না, সে মর্মে আদালতকে লিখিতভাবে অবগত করার জন্য সব পৌরসভার প্রশাসক ও অফিসার ইনচার্জদের নির্দেশ প্রদান করা হয়।
এ ছাড়া বরগুনা জেলার সকল পৌরসভাকে টোল আদায় বন্ধে পুনরায় নির্দেশনা প্রদান এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণপূর্বক আদালতকে অবগত করার জন্য উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার বিভাগ, বরগুনাকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ টার্মিনাল ছাড়া সব সড়ক ও মহাসড়ক থেকে টোলের নামে চাঁদা আদায় বন্ধের নির্দেশনা দেন।
মামলার কাগজপত্র পর্যালোচনায়ও বেতাগী পৌরসভার নামে অবৈধ টোল (চাঁদা) আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়। হাইকোর্ট বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনার পরও তা লঙ্ঘন করে সড়ক থেকে টোল আদায়ের ইজারা দেয়ায় কেন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা হবে না, সে মর্মে কারণ দর্শানোর জন্য প্রশাসক, বেতাগী পৌরসভাকে নির্দেশ প্রদান করা হয়।
এই আদশে বরগুনা জেলাধীন আর কোনো সড়ক ও মহাসড়ক থেকে এ ধরনের টোল (চাঁদা) আদায় করা হয় কি না, সে মর্মে আদালতকে লিখিতভাবে অবগত করার জন্য সব পৌরসভার প্রশাসক ও অফিসার ইনচার্জদের নির্দেশ প্রদান করা হয়।
মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন মাসুম: 


















