নোয়াখালীর সেনবাগে থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে চাঞ্চল্যকর কিশোর আরাফাত ফায়েম (১৭) হত্যা মামলার মূল আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশের এই সফল অভিযানকে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের দেবীসিংহপুর গ্রামের কিশোর আরাফাত ফায়েম হত্যা মামলার প্রধান আসামি হারুন অর রশিদ (৪২) দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির পর অবশেষে এই বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। মূল আসামি ধরা পড়ায় মামলার তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি আসবে বলে আশা করছে প্রশাসন।
ফায়েম হত্যার মূল আসামি ছাড়াও পুলিশের এই বহুমুখী অভিযানে মাদক কারবারি ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযান: পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মোজাম্মেল হক এবং ১৮ পিস ইয়াবাসহ শেখ কামাল নামের দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরোয়ানা ও ৫৪ ধারা: অভিযানে জিআর গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি এমাম হোসেনকে (৩৭) আটক করা হয়। এছাড়া সন্দেহভাজন হিসেবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
"আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে আমাদের এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ফায়েম হত্যা মামলার মূল আসামিসহ গ্রেপ্তারকৃত ৮ জনের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ নির্মূলে সেনবাগ থানা পুলিশের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।"
পুলিশ জানায়, এলাকায় অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে থানা পুলিশের এমন নিয়মিত ও ঝটিকা অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রায়হান মাহামুদ।
অফিস : কুড়িল বিশ্বরোড) বারিধারা, ঢাকা-১২২৯।
ই পেপার