Dhaka 2:22 pm, Saturday, 6 December 2025

নবীনগরের ব্যাপক জনপ্রিয়তা সম্পন্ন যুবদল নেতার হাজী কাউছারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে খেপেছেন এলাকাবাসী

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গরা বাজার নিয়ে যুগযুগ ধরে চলছে ভাঙ্গা গড়ার খেলা।দেশের সরকার পরিবর্তন হয়,চেয়ারম্যান পরিবর্তন হয় তবে ভাঙ্গরা বাজার ব্যবসায়ীদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না।বছরের পর বছর ভাঙা গড়ার খেলায় নিঃস্ব বাজার ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলেন আমরা সরকারের জায়গায় ব্যবসা করি সত্য পাশাপাশি ভোলাচং, ইব্রাহিমপুর জিনদপুরে ও গাজীর হাটেও সরকারি জায়গায় দোকান করে ব্যবসা করে কিন্তু রহস্যজনক কারণে শুধু যুগের পর যুগ ভাঙ্গরা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান চলে।

আমরা সরকারি জায়গায় রাস্তা করতে চাইলে দখল ছেড়ে দিব কিন্তু ভাঙচুর হয় রাস্তা আর নির্মাণ হয়না শুধু আমাদের ব্যবসায়ীদের পেটে লাথি মারা হয়।মানবিক দিক বিবেচনা করে সরকার যেন আমাদের অত্যন্ত অস্থায়ী ভাবে দোকান করে ব্যবসা করার সুযোগ দেয় এই অনুরোধ করি।
ভাঙ্গরা বাজারে জেলা পরিষদের যাত্রী ছাউনিতে দোকান নির্মান নিয়ে নবীনগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাজী কাউসারকে নিয়ে অভিযোগ উঠে।

এই বিষয় নিয়ে কাউছারকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এই জায়গা জেলা পরিষদ থেকে লিজ আনেন আনোয়ার হোসেন পিন্টু, হাজী মহিউদ্দিন ও হাজী জামাল ।
আমি এর সাথে কোন সংশ্লিষ্ট নই। আমি বিএনপি করার অপরাধে আওয়ামী লীগের সময়ে মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছি, আমাকে রিমান্ডে এনে গুরুতর অসুস্থ করে, আমার মা ও পুলিশের প্রতিদিনে বাড়ীতে এসে মানসিক নির্যাতনের কারনে মৃত্যু বরন করেন,আমার বিষয়ে তৎকালীন সময়ে অবগত হয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী সংবাদ সম্মেলন করেন।আমার বিষয়ে একটি মিথ্যা কল রেকর্ড ভাইরাল হয়েছে মূলত যার সাথে আমি কথা বলেছি তার নিকট থেকে আমি বিশ লক্ষ টাকা পাব, আমি বিগত দিনে মামলায় বাহিরে থেকেছি বলে টাকা আদায় করতে পারি নাই, এখন আমি আমার পাওনা টাকা আদায় করতে জোর গলায় কথা বলেছি।

কাউছার তার বক্তব্যের স্বপক্ষে প্রমান স্বরুপ চেক ও লিজের কাগজপত্র প্রতিবেদককে পেশ করেন।
বাজার ব্যবসায়ী কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি বীরমুক্তিযুদ্ধা হাজী ফুরকানুল ইসলাম বলেন কাওছার চাঁদাবাজী বা দোকানের বানিজ্যের সাথে জড়িত নই সে হয়তো হট টক করেছে এটাকেই ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করছে।
বাজার কমিটির সভাপতি শামিম মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আতিক সরকার বলেন আমরা বাজার চমৎকার ভাবে পরিচালনা করতেছি, বাজারের ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ব্যবসা করছেন কাউছার বাজারের একজন ব্যবসায়ী, বাজারে তিনি ব্যবসায়ীদের পাশে থেকে কাজ করেন, ব্যবসায়ীদের সুখে দুঃখের বন্ধু।

বাজারে হাজী বিরানীর স্বত্বাধিকারী বলেন কাউসারের বিষয়ে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যাও বানোয়াট তিনি খুব ভালো মনের মানুষ। বাজারের সকল ব্যবসায়ীরা একসুরে বলেন কাউসার ভাই আমাদের সুখে দুঃখের বন্ধু, তিনি আছেন বলে আমরা চাঁদা মুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করতেছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নাগরপুরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক সম্বলিত তোরণ নির্মাণ করলেন সাবেক শিবির নেতা মো. কোরবান আলী

নবীনগরের ব্যাপক জনপ্রিয়তা সম্পন্ন যুবদল নেতার হাজী কাউছারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে খেপেছেন এলাকাবাসী

Update Time : 04:05:37 pm, Saturday, 22 March 2025

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গরা বাজার নিয়ে যুগযুগ ধরে চলছে ভাঙ্গা গড়ার খেলা।দেশের সরকার পরিবর্তন হয়,চেয়ারম্যান পরিবর্তন হয় তবে ভাঙ্গরা বাজার ব্যবসায়ীদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না।বছরের পর বছর ভাঙা গড়ার খেলায় নিঃস্ব বাজার ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলেন আমরা সরকারের জায়গায় ব্যবসা করি সত্য পাশাপাশি ভোলাচং, ইব্রাহিমপুর জিনদপুরে ও গাজীর হাটেও সরকারি জায়গায় দোকান করে ব্যবসা করে কিন্তু রহস্যজনক কারণে শুধু যুগের পর যুগ ভাঙ্গরা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান চলে।

আমরা সরকারি জায়গায় রাস্তা করতে চাইলে দখল ছেড়ে দিব কিন্তু ভাঙচুর হয় রাস্তা আর নির্মাণ হয়না শুধু আমাদের ব্যবসায়ীদের পেটে লাথি মারা হয়।মানবিক দিক বিবেচনা করে সরকার যেন আমাদের অত্যন্ত অস্থায়ী ভাবে দোকান করে ব্যবসা করার সুযোগ দেয় এই অনুরোধ করি।
ভাঙ্গরা বাজারে জেলা পরিষদের যাত্রী ছাউনিতে দোকান নির্মান নিয়ে নবীনগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাজী কাউসারকে নিয়ে অভিযোগ উঠে।

এই বিষয় নিয়ে কাউছারকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এই জায়গা জেলা পরিষদ থেকে লিজ আনেন আনোয়ার হোসেন পিন্টু, হাজী মহিউদ্দিন ও হাজী জামাল ।
আমি এর সাথে কোন সংশ্লিষ্ট নই। আমি বিএনপি করার অপরাধে আওয়ামী লীগের সময়ে মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছি, আমাকে রিমান্ডে এনে গুরুতর অসুস্থ করে, আমার মা ও পুলিশের প্রতিদিনে বাড়ীতে এসে মানসিক নির্যাতনের কারনে মৃত্যু বরন করেন,আমার বিষয়ে তৎকালীন সময়ে অবগত হয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী সংবাদ সম্মেলন করেন।আমার বিষয়ে একটি মিথ্যা কল রেকর্ড ভাইরাল হয়েছে মূলত যার সাথে আমি কথা বলেছি তার নিকট থেকে আমি বিশ লক্ষ টাকা পাব, আমি বিগত দিনে মামলায় বাহিরে থেকেছি বলে টাকা আদায় করতে পারি নাই, এখন আমি আমার পাওনা টাকা আদায় করতে জোর গলায় কথা বলেছি।

কাউছার তার বক্তব্যের স্বপক্ষে প্রমান স্বরুপ চেক ও লিজের কাগজপত্র প্রতিবেদককে পেশ করেন।
বাজার ব্যবসায়ী কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি বীরমুক্তিযুদ্ধা হাজী ফুরকানুল ইসলাম বলেন কাওছার চাঁদাবাজী বা দোকানের বানিজ্যের সাথে জড়িত নই সে হয়তো হট টক করেছে এটাকেই ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করছে।
বাজার কমিটির সভাপতি শামিম মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আতিক সরকার বলেন আমরা বাজার চমৎকার ভাবে পরিচালনা করতেছি, বাজারের ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ব্যবসা করছেন কাউছার বাজারের একজন ব্যবসায়ী, বাজারে তিনি ব্যবসায়ীদের পাশে থেকে কাজ করেন, ব্যবসায়ীদের সুখে দুঃখের বন্ধু।

বাজারে হাজী বিরানীর স্বত্বাধিকারী বলেন কাউসারের বিষয়ে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যাও বানোয়াট তিনি খুব ভালো মনের মানুষ। বাজারের সকল ব্যবসায়ীরা একসুরে বলেন কাউসার ভাই আমাদের সুখে দুঃখের বন্ধু, তিনি আছেন বলে আমরা চাঁদা মুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করতেছি।